নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডেস্ক »
ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে আম্পায়ারে সঙ্গে অসদআচরণের জন্য শাস্তি পেয়েছেন মোহামেডানের তাওহিদ হৃদয়। তাকে এক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আর তার সতীর্থ পেসার এবাদত হোসেনকে ৪০ জাহার টাকা জরিমানা ও নামেন পাশে ৩ ডিমেরিট পয়েন্ট দেয়া হয়েছে।
ডিপিএলে শনিবার মিরপুর পুরে ঢাকা ডার্বিতে মুখোমুখি হয় আবাহনী ও মোহামেডান। এই ম্যাচে মোহামেডানের বোলিং ইনিংসে এবাদতের বলে একটি আম্পায় তানভির আহমেদ এলবিডব্লুরর আউট না দেয়ায় তীব্র রাগে নিজের হাতে সোয়েট ব্যান্ড খুলে প্রবল আক্রোশে মাটিতে ছুড়ে মারেন এবাদত।
আর পরিস্থিতি সামাল দিতে এগিয়ে আসেন লেগ আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ ঠিক তখনই আবার রেগে উঠতে দেখা যায় হৃদয়কে। এসময় আঙুল উঁচিয়ে আইসিসির এলিট প্যানেলভূক্ত শফুদ্দৌলাকে কিছু একটা বলতে থাকেন হৃদয়।
ম্যাচ শেষে এটা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন হৃদয়। তিনি বলেন, ‘যেটা ঘটেছে সবকিছু এক্সপ্লেইন করতে পারবো না কিন্তু হিট অব দ্য মোমেন্টে অনেক কিছু হয়। তারাও ভুল করে কিন্তু আমার কাছে যেটা মনে হয় তারা ভুল করতেই পারে, মানুষ মাত্রই ভুল করে আমরাও করবো! কিন্তু আমার কাছে মনে হয় ভুলটা স্বীকার করা উচিত, আমি যদি ভুল করি আমিও স্বীকার করবো। কিন্তু আপনি যদি ভুল স্বীকার না করে বলেন এটা ভুল না তাহলে হবে না।’
তবে সৈকতের মতো আন্তর্জাতিক মানের আম্পায়োরে সাথে এমনটা করলেন কোনো সেটা নিয়ে হৃদয় বলেন, ‘সে আন্তর্জাতিক আম্পায়ার তাকে আমরা সম্মান করি, আমরাও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। এখানে যারা ছিল বেশিরভাগই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলছে সো, এমন ম্যাচে দুই-একটা ডিসিশন অনেক বড় ব্যবধান গড়ে দিতে পারে। যদি আবার হিতে অন্যদিকে যায় আমি মুখ খুলবো ইনশাল্লাহ।’
এসময় হৃদয় আম্পায়রদের নিয়েও সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তো এমন অনেক দেখেছি। ডোমেস্টিকে তো এর চেয়ে আরও বাজে হতো, এখন তো সেটাও হয় না। ডে বাই ডে আমরা খেলোয়াড়রা তাদের অনেক রেস্পেক্ট করি, শুধু আমাদের খেলোয়াড়দের দোষ দিলে হবে না। আপনারা দেখেন আমাদের আম্পায়ার তাদের ডিপার্টমেন্ট দেখেন তারাও ২-১ জন বাদে যে খুব ভালো করে এমন নয়। জাস্টিফাই করলে আমার কাছে মনে হয় দুই পাশ থেকেই দেখা উচিত।’
আরএ/নিউজক্রিকেট২৪
