নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডেস্ক »
আইসিসি টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শুরুতেই বড় ধাক্কা খেয়েছে অস্ট্রেলিয়া। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অপ্রত্যাশিত হারের পর সুপার এইটে ওঠা নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়ে গেছে ২০২১ সালের চ্যাম্পিয়নরা। গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে শেষ আটে জায়গা নিশ্চিত করতে এখন নিজেদের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি অন্য ম্যাচের ফলের দিকেও তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে অজিদের।
চোট সমস্যা শুরু থেকেই ভোগাচ্ছে অস্ট্রেলিয়াকে। টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই ছিটকে যান দলের গুরুত্বপূর্ণ দুই পেসার প্যাট কামিন্স ও জশ হ্যাজলউড। বিশ্বকাপ চলাকালেই আবার ইনজুরিতে পড়েন অধিনায়ক মিচেল মার্শ। তিন তারকার অনুপস্থিতি দলের ভারসাম্যে বড় প্রভাব ফেলেছে বলেই মনে করছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা।
তবে শুরুটা ছিল আশাব্যঞ্জক। নিজেদের প্রথম ম্যাচে আয়ারল্যান্ডকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসী সূচনা করেছিল ট্রাভিস হেডের দল। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচেই ছন্দপতন ঘটে। জিম্বাবুয়ের কাছে ২৩ রানের হারে গ্রুপ ‘বি’-তে কঠিন অবস্থায় পড়ে যায় অস্ট্রেলিয়া।
দুই ম্যাচ শেষে সমান পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তৃতীয় স্থানে আছে তারা। অন্যদিকে চার পয়েন্ট করে নিয়ে শীর্ষ দুই অবস্থানে রয়েছে শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ে। প্রতিটি গ্রুপ থেকে শীর্ষ দুই দলই নিশ্চিত করবে সুপার এইটের টিকিট—যা অস্ট্রেলিয়ার জন্য সমীকরণকে আরও কঠিন করে তুলেছে।
এখন বাকি দুই ম্যাচে জয় ছাড়া বিকল্প নেই অজিদের সামনে। ১৬ ফেব্রুয়ারি শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এবং ২০ ফেব্রুয়ারি ওমানের বিপক্ষে মাঠে নামবে তারা। তবে শুধু নিজেদের ম্যাচ জিতলেই হবে না; সুপার এইটে উঠতে হলে শ্রীলঙ্কার কাছে জিম্বাবুয়ের হারও কামনা করতে হবে অস্ট্রেলিয়াকে।
এই সমীকরণ মিললেই গ্রুপের শীর্ষ দুইয়ে উঠে শেষ আটে জায়গা করে নিতে পারবে অস্ট্রেলিয়া। ফলে এখন তাদের লড়াই শুধু মাঠে নয়, নির্ভর করছে গ্রুপের অন্য ম্যাচগুলোর ফলাফলের ওপরও। বিশ্বকাপে টিকে থাকতে তাই প্রতিটি ম্যাচই এখন অস্ট্রেলিয়ার জন্য কার্যত ‘ফাইনাল’।
