দুর্জয় দাশ গুপ্ত »
শেষ ১২ বল থেকে চেন্নাই সুপার কিংসের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিলো ৪০ রান। ব্যাটিংয়ে তখন জাদেজা আর ধোনি। অন্য কেউ হলে হয়তো এই ম্যাচ জয়ের আশা খুব কম মানুষই করতো। কিন্তু ক্রিজে দুই ফিনিশার বলেই আশা ছিলো হয়তো চেন্নাই জিতেও যেতে পারে।
১৯তম ওভারে হোল্ডারের করা ওভারে দুই ছক্কা হাঁকালেন জাদেজা আর ধোনি মিলে। ২ ছয় আর ১ চারে সিঙ্গেল মিলিয়ে আসলো ১৯ রান। শেষ ওভারের সমীকরণ ৬ বলে প্রয়োজন ২১ রান। প্রথম ৩ বল থেকে আসলো ১৪ রান। চেন্নাইয়ের জয় তখন হয়তো অনেকটাই সহজ বয়ে গিয়েছিলো। কিন্তু ভাগ্য সহায় না থাকলে জয়টা দূরেই থেকে যায়। শেষের ৩টা বল সন্দীপ শর্মা করলেন মাথা খাটিয়ে। ৩টা বলের ৩টাই ছিলো ইর্য়কার। তিন বল থেকে আসলো মাত্র ৩ রান। ম্যাচটা খুব কাছে এনেও শেষ করতে পারলেন ধোনি – জাদেজা জুটি। চেন্নাইকে হারতে হলো ৩ রানে।
ক্যারিয়ারের একদম ক্রান্তিলগ্নে এসেও একদম শেষ বল পর্যন্ত যে লড়াই করার মানুসিকতা এটাই হয়তো ধোনি আর অন্য একটা সাধারণ ক্রিকেটারের মধ্যে পার্থক্য। চেন্নাইয়ের টপ অর্ডারের দুই ব্যাটারের ব্যর্থতার দিনে কনওয়ে করলেন ফিফটি। তবে সেটাও ছিলো ম্যাচের প্রেক্ষাপটে অপ্রয়োজনীয়। শেষের দিকে কনওয়ে, মইন আলী, রাইডুরা একের পর এক ক্যাচ দিয়ে উইকেট বিলিয়ে দেওয়ায় ম্যাচটা তখনই শেষ হয়ে গিয়েছিলো সিএসকে’র জন্য। কিন্তু ধোনি আর জাজেদা যেটা করলেন এটাকেই বলে হার না মানার মানুসিকতা।
রাজস্থানের দেয়া ১৭৬ রানের লক্ষ্যমাত্রাটাকে কঠিন বানিয়েছেন চেন্নাইয়ের ব্যাটাররাই। আর এজন্যই ঘরের মাঠে ৩ রানের হার স্যামসনদের কাছে। ৪ ম্যাচে ২ জয় আর ২ হার। টুর্নামেন্টে এখনো পুরোপুরিভাবে জ্বলে উঠতে পারছেন না ধোনি – মইনরা।
