নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডেস্ক »
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ আইপিএলে রোববার চরম নাটকীয়তার ম্যাচে শেষ পাঁচ বলে পাঁচ ছক্কা হাঁকিয়ে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে জেতালেন রিঙ্কু সিং। রশিদ খানের হ্যাট্রিক, বিজয় শংকর ঝড়ো ফিফটি ও ভেঙ্কটেশ আইয়ারের ৮৩ রানের ইনিংস সবই যেন ম্লান হয়ে গেল রিঙ্কু সিংয়ের এমন ব্যাটিংয়ের কাছে।
প্রথমে ব্যাট করে গুজরাট ২০৪ রানের বড় সংগ্রহ পায়। শেষের ৬ ওভারে গুজরাট টাইটান্স ৮১ রান নেয়। আর গুজরাটকে বড় পুঁজি এনে দেওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখেন অলরাউন্ডার বিজয় শংকর। মাত্র ২২ বলে ৬১ রানের ঝড়ো এক ইনিংস খেলেন তিনি। ২০৫ রানের বড় লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে আবারো ব্যর্থ কলকাতার ওপেনিং পেয়ার। রহমানউল্লাহ গুরবাজ ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হয়েছেন। ১ চার ও ১ ছয়ে ১৫ রান করে আউট হন তিনি। ২৮ রানে ২ উইকেট হারানো নাইটদের জয়ের স্বপ্ন দেখান ভেঙ্কটেশ আইয়ার ও অধিনায়ক নীতিশ রানা। ১০০ রানের দারুণ এক পার্টনারশিপে কলকাতাকে ম্যাচে ফেরান তারা। তবে এরপরেই শুরু হয় একের পর এক নাটকীয়তা।
প্রথম ৩ ওভারে ৩৫ রান দেওয়া রশিদ নিজের চতুর্থ ওভারে এসে করেছেন হ্যাট্রিক। রশিদের হ্যাট্রিকে মাত্র ৫ বলের ব্যবধানে ৪ উইকেট হারায় কলকাতা। কলকাতার জন্য শেষের দুই ওভারের সমীকরণ গিয়ে দাঁড়ায় ১২ বল থেকে ৪৫ রানের। ১৯তম ওভারের শেষের ৩ বল থেকে রিঙ্কু আনেন ১২ রান। জবাবে শেষ ওভারে কলকাতার প্রয়োজন হয় ২৯ রানের। ২০তম ওভারের প্রথম বলে উমেশ যাদব একটি সিঙ্গেল নিয়ে রিঙ্কুকে স্ট্রাইক দেন। তখনো কলকাতার প্রয়োজন ৫ বলে ২৮ রান। গুজরাটের তরুণ বোলার দয়ালকে রিঙ্কু শেষের ৫ বলে মেরেছেন একে একে ৫টি ছক্কা। আর এতেই কলকাতার জয় নিশ্চিত করেন রিঙ্কু। আইপিএলের ইতিহাসে এটিই শেষ ওভারে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড। অন্যদিকে আইপিলের ইতিহাসের সবচেয়ে খরুচে বোলার হলেন গুজরাটের দয়াল। ৪ ওভারে ৬৯ রান দিয়েছেন তিনি।

নাইটরা হার দিয়ে টু্র্নামেন্ট শুরু করলেও এই জয়ে টানা দুটো জয় নীতিশ রানার দলের। তিন ম্যাচ খেলে দুই জয়ে পয়েন্ট টেবিলের উপরের দিকেই আছে তারা।
