নিজস্ব প্রতিবেদক »
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) নবম আসর মাঠে গড়াতে আর মাত্র কয়েকদিন বাকী। আসন্ন আসরকে সামনে রেখে এরই মধ্যে দলগুলো তাদের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টগুলোর সাফল্যের কারণে বদলে গেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের দৃশ্যপট। বিদেশী ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগগুলোর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দীতায় পিছিয়ে পড়ছে বিপিএল এমনটাই মনে করেন খালেদ মাহমুদ সুজন।
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) নবম আসর মাঠে গড়াবে আগামী ৬ জানুয়ারি। একই সময় চলবে দক্ষিণ আফ্রিকায় এসএ-২০ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের আইএলটি-২০ লিগ। তাই নামীদামী খেলোয়াড়রা বিপিএল রেখে ওই দুই লিগকেই বেছে নিয়েছেন। এছাড়া সেসব জায়গায় পেশাদারিত্ব আর অর্থের সাথে সাথে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) দলের নজরে পড়ার সুযোগ আছে।
আজ মঙ্গলবার মিরপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে খালেদ মাহমুদ সুজন জানিয়েছেন, আমি খেলোয়াড় হলে বিপিএল না খেলে আইপিএলে যেতাম।
তিনি বলেন, ‘পেশাদারিত্বের দিক থেকে আমরা খুবই ভালো ছিলাম, আইপিএলের পরই আমরা ছিলাম। তবে এখন অনেকে ভালো করছে, আমাদের ছাড়িয়ে যাচ্ছে। ড্রাফট থেকে যারা আসছে আমরা তেমন ভালো খেলোয়াড় পাইনি। দক্ষিণ আফ্রিকা ও আরব আমিরাতের ঐ দুই টুর্নামেন্টে দলগুলো আইপিএল-কেন্দ্রিক। সবারই একটা লক্ষ্য থাকে আইপিএল খেলার। ওসব টুর্নামেন্ট খেলতে গেলে আইপিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজিদের নজরে পড়ার সুযোগ থাকে।’
সুজনের ভাষায়, ‘আইপিএলের মতো তো কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ নেই। আমি খেলোয়াড় হলে আমিও এই টুর্নামেন্ট (বিপিএল) না খেলে ওই টুর্নামেন্টে যেতাম, এটা খুবই স্বাভাবিক। এটার কারণেই আমরা একটু পিছিয়ে যাচ্ছি। ভারতের সাথে আমরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারছি না।’
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) নবম আসর মাঠে গড়াবে আগামী ৬ জানুয়ারি। উদ্বোধনী ম্যাচে মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স ও সিলেট স্ট্রাইকার্স।
এস.আর/নিউজক্রিকেট২৪
