নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডেস্ক »
সাংবাদিকতাকে একটি রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয়ে থাকে। সুতরাং, এ পেশায় নিয়োজিত ব্যাক্তিরা অবশ্যই দেশ গঠনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তবে, এমন একজন মানুষ আছেন, যিনি সাংবাদিকতার পাশাপাশি দেশের ক্রীড়াঙ্গনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তিনিই সৈয়দ আবিদ হুসাইন সামি। একজন সাংবাদিক হওয়ার পাশাপাশি তিনি একজন ক্রিকেটারও বটে। বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে যমুনা টেলিভিশনে তিনি কাজ করছেন, পাশাপাশি “স্পোর্টস গুরুকুল ও ক্রিকেট গুরুকুল” নামে দুটি পেইজে নিয়মিত ক্রিকেট বিশ্লেষণ করেন।

বর্তমানে ঢাকা প্রথম ডিভিশন টি টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে ঢাকা অ্যাসেটের হয়ে খেলছেন। তাও আবার দেশে যে জিনিসটা সব থেকে বেশী খোজা হচ্ছে, সেই লেগ স্পিন সামি’র অস্ত্র৷ প্রথম ম্যাচে অগ্রণী ব্যংক ক্রিকেট ক্লাবের বিপক্ষে তিনি ৩.২ ওভারে মাত্র ২২ রান খরচ করেন যা সে ম্যাচে তার বোলারদের মধ্যে সব থেকে কম ইকোনোমি রেট (৬.৬০)। তার বোলিংয়ে ২টি ক্যাচ ড্রপ না হলে, অবশ্য উইকেট কলামের দিক দিয়েও সবার উপরে থাকতেন সামি। রিটার্ন ক্যাচ নিতে গিয়ে রিব বোনে বল লাগায় সেই বল ডেড ঘোষণা করা হয় এবং বাকি ৩ বল তাকে করতে দেননি আম্পায়াররা৷
এই ঢাকা ডিভিশন ক্রিকেট খেলার জন্যও দিন রাত হাড়ভাঙা খাটুনি খাটতে হয়েছে সামিকে। টানা ৭ মাস ধরে দিনে ৬ ঘন্টা অমানুষিক পরিশ্রম করেছেন তিনি। ক্রিকেট খেলে আবার, ৫ ঘন্টা অফিস করতে হয়েছে তাকে। সকাল ৮ টায় বের হয়ে বাড়িতে ফিরতে হয়েছে রাত ১ টার দিকে।
বর্তমানে, বাংলাদেশে এমন কেউ নেই যিনি ক্রীড়া সাংবাদিক হওয়ার পাশাপাশি একজন পেশাদার ক্রিকেটারও। এতো পরিশ্রম এবং আত্মত্যাগের বিনিময়েই সামি, আজকের সামি হতে পেরেছে। সবাই সামি হতে পারে না, সামিরা আসেন কালেভদ্রে। কারণ, সফলতার মুলমন্ত্র যে পরিশ্রমেই তা তারা শুধু মুখের বুলিতেই আওরা্ন না বরং কাজের মাধ্যমে তার পরিস্ফুটন করে দেখান। সামি এগিয়ে যাবেন, নিজেকে ক্রীড়া সাংবাদিকতার পাশাপাশি পেশাদার ক্রিকেটেও ছাড়িয়ে নিয়ে যাবেন এক অনন্য উচ্চতায়, এই যেনো তার ভক্তদের প্রত্যাশা।
