নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডেস্ক »
দীর্ঘ তিন বছর দলের সঙ্গে ছিলেন ইয়াসির আলী রাব্বি। কিন্তু এতদিনে একাদশে সুযোগ পাননি তিনি। সদ্য পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে একাদশে সুযোগ পেয়েছেন ইয়াসির আলী রাব্বি। অভিষেক টেস্টেই চাপের মুখে সাবলীলভাবে ব্যাট করা এই ব্যাটার বললেন, ঘরোয়া ক্রিকেটের তুলনায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অন্যরকম।
২০১৯ সালে আয়ারল্যান্ড সফরের ত্রিদেশীয় সিরিজে প্রথমবারের মতো জাতীয় দলে ডাক পেয়েছিলেন ইয়াসির। সেটি ছিল ওয়ানডে ফরম্যাট। পরবর্তীতে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রথমবারের মতো টেস্ট দলে ডাক পান। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পরে অবশেষে ২০২১ সালের নভেম্বরে এসে সেরা একাদশে জায়গা পেয়েছেন এই ব্যাটার। দীর্ঘ প্রতীক্ষার সময়গুলো স্মরণ করেই শুকরিয়া আদায় করেছেন তিনি।
ইয়াসির বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ। প্রথম টেস্ট খেলেছি, নতুন এক অভিজ্ঞতা ছিল। আর অনেক ভালো একটা অভিজ্ঞতা ছিল। এর আগে দলের সাথে ফিল্ডিং করেছি কিন্তু কখনো একাদশে খেলা হয়নি।”
অভিষেকেই কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়েন ইয়াসির। টপ অর্ডারের চার ব্যাটারকে হারিয়ে দল যখন ১০০ রানের নিচে আটকে যাওয়ায় শঙ্কায় ছিল তখন ত্রাতা হয়ে আসেন তিনি। বাংলাদেশ দলকে নিয়ে যান সম্মানজনক অবস্থানে। ঘরোয়া ক্রিকেটেও তিনি অনেকবার দলকে চাপের মুখ থেকে বাঁচিয়েছেন। তবে সেটির সাথে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের আছে বিস্তর ফারাক, তা বুঝেছেন ইয়াসির।
ইয়াসিরের ভাষ্যমতে, “চাপের মুখে আমি যতই ঘরোয়া ক্রিকেটে ব্যাটিং করে থাকি না কেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটটা অন্যরকম। এটা একটা নতুন অভিজ্ঞতা বাংলাদেশ দলকে এরকম একটা চাপের মুখের থেকে বের করে আনা। যখন আমি চাপ নিয়ে এই কাজটা করতে পেরেছি, এটা খুব ভালো একটি অনুভূতি দিয়েছে।”
অনেক দিন ধরেই দলে থাকলেও অভিষেকের সুযোগ না আসলেও তিনি নিজেকে প্রেরণা দিতেন বলে জানান।
ইয়াসির বলেন, “অনেক দিন ধরেই দলের সাথে থাকা হচ্ছিল, কিন্তু ম্যাচ খেলা হচ্ছিল না। তবে আমি আগেও বলেছি, আমি যে জায়গায় ছিলাম, ওই জায়গাটাও অনেকের কাছে স্বপ্নের মতো। ওটা চিন্তা করেই নিজেকে প্রেরণা দিতাম যে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে, যখনই সুযোগ আছে তখনই যে কাজে লাগাতে পারি। সিনিয়র ভাই, কোচ, সতীর্থ সবাই আমাকে প্রেরণা দিত যে আমি কষ্ট করছি, যখনই সুযোগ পাবো আমি কাজে লাগাব।”
