নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডেস্ক »
মিরপুরের পিচে গতির বল তেমন কার্যকর নয় এমন প্রমান খুঁজতে বেশি দূরে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। গেল কয়েকদিন আগে অস্ট্রেলিয়া সিরিজের দিকে তাকালেই দেখা যাবে- মিচেল স্টার্ক, জশ হ্যাজলউডের মত বোলাররাও কীভাবে হতাশ হচ্ছিলেন গতিময় বোলিং করার চেষ্টায়। কিউই পেসার বেন সিয়ার্স তাই গতিকে পুঁজি করতে চান না।
নিউজিল্যান্ডের এই পেসার অভিষেকের প্রতীক্ষা নিয়েই বাংলাদেশে এসেছেন। নিউজিল্যান্ডের দ্বিতীয় সারির দলে থাকায় প্রথমবারের মত একাদশে সুযোগ পাওয়ার সুযোগ তার সামনে। তবে সেক্ষেত্রে অপেক্ষা করছে মিরপুরের উইকেটে বল করার চ্যালেঞ্জ।
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে স্টার্ক, হ্যাজলউড, টাইরা সফল হতে না পারলেও মুস্তাফিজুর রহমানের মত কম গতির বোলারও দারুণ সফলতা পেয়েছেন, যা বোলিংয়ের বৈচিত্রের কারণে। মুস্তাফিজের কাটার, স্লোয়ারে পাওয়া সফলতা অজানা নয় কিউইদের। সিয়ার্স তাই স্মার্ট হতে চান, কাটারকে করতে চান হাতিয়ার।
তিনি বলেন, ‘আপনি অবশ্যই চেষ্টা করবেন জোরে গতিতে বল করতে। কিন্তু এখানকার উইকেট ভিন্ন ধরনের। উইকেটের সাথে আপনাকে আরও স্মার্ট হতে হবে। নেটে করা প্রথম বলগুলো এমন যে ব্যাটসম্যান বাউন্ডারি হাঁকাবে। কখন কীভাবে বল করতে হবে এটা বের করতে হবে, বৈচিত্র্য ধরে রাখতে হবে। অফ কাটার সহায়ক হতে পারে।
সিয়ার্স নিজেই জানিয়েছেন, প্রথম সারির দলে নিজের জায়গা করাটা অসম্ভব ছিল। অভিষেকের সুযোগ সামনে রেখে তিনি তাই নিজেকে প্রমাণ করতে মরিয়া। জানালেন, ‘অভিষেক হলে দারুণ হবে। দেশে খেলা হলে হয়ত আমি ১৫তম বোলার থাকতাম। এই সিরিজে মূল খেলোয়াড়রা নেই। আমার জন্য দারুণ সুযোগ।’
