নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডেস্ক »
মিরপুরের পিচ কেমন সেটাকে গুরুত্ব না দিয়ে উইকেট শিকার করাকে যেন নিয়মে পরিণত করেছেন পেসার শরিফুল ইসলাম। যদিও বল হাতে ভালো শুরু তিনি হরহামেশা পান না। শুরুটা অপ্রত্যাশিত হলেও শেষদিকে ছন্দ খুঁজে পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী তরুণ বা হাতি এই পেসার।
শুধু আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেই নয়, শরিফুলের সাথে এমন ঘটনা ঘটেছে ঘরোয়া কিংবা বয়সভিত্তিক ক্রিকেটেও। আর তাই শুরুটা খারাপ হলেও চেষ্টা চালিয়ে যান, কীভাবে শেষদিকে ঘুরে দাঁড়ানো যায়। এমন মানসিকতার কারণে গুরুত্বপূর্ণ ওভারগুলোতেও দলের আস্থার জায়গা হয়ে উঠছেন তিনি।
এ বিষয়ে শরিফুল বলেন, “আমি প্রায় ম্যাচে এরকম পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছি যে প্রথম দিকে রান দেই। অনূর্ধ্ব-১৯, ‘এ’ দল বা জাতীয় দল- যাইই বলুন না কেন। যখন শুরুর দিকে রান দেই তখন ভাবি- আমার হাতে এখনও ১২ বল আছে কামব্যাক করার। আমি একটা ভালো ব্রেকথ্রু দিলে দলের জন্য ভালো হবে।”
সেই ব্রেকথ্রু শরিফুল নিয়ম করেই এনে দিচ্ছেন অস্ট্রেলিয়া সিরিজে। এর পেছনে শুধু নিজের নয়, দলের দুই সিনিয়র ক্রিকেটার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও সাকিব আল হাসানের ইতিবাচক মনোভাবেরও কৃতিত্ব আছে। ম্যাচের পরিস্থিতি যেমনই হোক, রিয়াদ-সাকিবের ইতিবাচক মানসিকতা সাহস যোগায় শরিফুলের মত তরুণদের।
শরিফুল আরও বলেন, “রিয়াদ ভাই, সাকিব ভাই সবসময়ই ইতিবাচক থাকেন। স্কোর যতই হোক না কেন, আমরা নামার আগে খুব ইতিবাচক কথা বলি। যখন কোন সিনিয়র জুনিয়র কাউকে কোনো ইতিবাচক কথা বলেন তখন এমনিতেই আমাদের মধ্যে সাহস আসে। একটা ইতিবাচক কথা সবসময়ই খেলার অনেক কিছু বদলে দেয়।”
“আমার ইতিবাচক মনোভাব থাকে- দুই ওভারে ভালো করে দলকে অনেক ভালো জায়গায় নিয়ে যাব। অনূর্ধ্ব-১৯ থেকেই এরকম ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়েছে”– বলেন শরিফুল।
