নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডেস্ক »
বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সম্ভাবনাময় পেসারদের একজন ছিলেন নাজমুল হোসেন। অস্ট্রেলিয়া,ভারত ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম জয়ী ম্যাচ গুলোর সাক্ষী তিনি।এশিয়ান গেমসে স্বর্ন পদক জয়,২০১২ এশিয়া কাপে রানার্স আপ হওয়ার পিছনেও ছিল বড় ভূমিকা তার।একটা সময় টাইগারদের পেস আক্রমনের অন্যতম হাতিয়ার বলা হতো তাকে। ভাগ্যের চাইতে দুর্ভাগ্যের পাল্লা বেশি ভারী হওয়ায় ক্যারিয়ার লম্বা করা হয়নি।ক্রিকেটকে ইতিমধ্যে বিদায় জানিয়েছেন, এখন একজন কোচ হয়ে পেসার তৈরির কারিগর হয়ে কাজ করছেন।

নিউজক্রিকেট টুয়েন্টিফোরকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে সাবেক এই তারকা পেসার কথা বলেছেন বর্তমান ক্রিকেট ও নিজের ক্রিকেট ক্যারিয়ারের অজানা অনেক বিষয় নিয়ে। নিউজক্রিকেট টুয়েন্টিফোরের পাঠকদের জানার সুবিধার্থে সম্পূর্ণ সাক্ষাৎকারের চম্বুকাংশ তুলে ধরা হলো।
নিউজক্রিকেট: কেমন আছেন? করোনার এই ক্রান্তিলগ্নে কিভাবে সময় কাটছে। সবমিলিয়ে করোনার এই পরিস্থিতিকে কিভাবে দেখছেন?
নাজমুলঃ করোনার এই পরিস্থিতি শুধু আমাদের দেশে নয়, পুরো বিশ্বজুড়েই ভয়াবহ অবস্থা। গত দেড় বছর ধরে করোনার কারনে সারাবিশ্ব স্থবির হয়ে আছে।যেহেতু আমরা কোচিং পেশায় নিয়জিত, ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে লিজেন্ড অফ রুপগঞ্জে কোচিং করাচ্ছি আমি, সিলেট ডিভিশনেও কোচিং করাচ্ছি। আমরা হলাম ক্রিকেটের মানুষ, করোনার কারনে যখন নিজের কর্মটা ঠিকভাবে হয়না তখন ওইভাবে ভাল থাকা হয়না।তারপরও মহামারি এই রোগ হতে আল্লাহ হেফাজত করে এখন অব্দী সুস্থ রেখেছেন এটার জন্য আলহামদুলিল্লাহ।
নিউজক্রিকেট: অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশ দাপটের সঙ্গে টি-টুয়েন্টি সিরিজ জিতে নিলো! টাইগারদের দুর্দান্ত এই পারফরমেন্স নিয়ে কি বলবেন?
নাজমুলঃ অবশ্যই এটা বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য সেরা অর্জন। অষ্ট্রেলিয়ার মতো একটা দলের বিপক্ষে টি টোয়েন্টিতে এইভাবে দাপটিয় সিরিজ জয়, এটা নিশ্চয়ই বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য ভালো দিক। যদিও এই সিরিজে অষ্ট্রেলিয়া তরুন সাইড, আমাদেরও বেশ কিছু খেলোয়াড় নেই।গত কয়েকবছর ধরে বাংলাদেশ ওয়ানডেতে ভালো করলেও টেস্ট এবং টি টোয়েন্টি ক্রিকেট তেমন ভালো করতে পারছে না। অজিদের বিপক্ষে দুর্দান্ত এই সিরিজ জয় আসন্ন টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে দারুণ আত্মবিশ্বাস জোগাবে আমাদের ক্রিকেটারদের।
নিউজক্রিকেট: অস্ট্রেলিয়ার প্রসঙ্গ যখন আসলো,আপনাকে একটু স্মৃতিচারণ করানো যাক। এই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২০০৫ সালে কার্ডিফে আমরা প্রথম জয় পেয়েছিলাম। আপনি সেই ঐতিহাসিক জয়ের একজন সাক্ষী। সেই ম্যাচে আপনার অসাধারণ ভুমিকাও ছিল।ভয়ঙ্কর ব্যাটসম্যান ম্যাথু হেইডেনকে বোল্ড করে ম্যাচের খুব গুরুত্বপূর্ণ ব্রেক-থু এনে দিয়েছিলেন। শেষ অব্দী ঐতিহাসিক জয়ের সাক্ষী হয়েছিলেন।
ওই ম্যাচের স্মৃতিচারণ করে নিউজক্রিকেট এর পাঠকদের জন্য যদি কিছু বলতেন।
নাজমুলঃ আমি মনে করি বাংলাদেশ এখন অব্দী যতগুলো ওয়ানডে ম্যাচ জিতেছে তার মাঝে সবথেকে সেরা জয় ২০০৫ সালে কার্ডিফে অষ্ট্রেলিয়াকে ওদের মাঠে হারানো। আপনি দেখুন সেই সময়ে অজিদের হয়ে কারা খেলতো! সবাই ছিল লিজেন্ড ক্রিকেটার। সেই সময় আমরা ছিলাম আন্ডারডগ টিম। তবুও দাপটের সঙ্গে আমরা ম্যাচটা জিতে নিয়েছিলাম।
অষ্ট্রেলিয়ার বর্তমান যে টিমটা খেলছে সেটাও সেরা দল। কেননা অষ্ট্রেলিয়া তো অষ্ট্রেলিয়াই নাকি! সব দলেই তরুন জেনারেশন চলছে, তবে তারাও যোগ্য বলেই জাতীয় দলে খেলছে।
সেই ম্যাচে অনুভূতি আসলে বলে বোঝাতে পারবো না। কেননা আমরা স্বপ্নেও ভাবিনি এই ম্যাচ জিততে পারবো। আমাদের পরিকল্পনা ছিল ভালো ক্রিকেট খেলবো। তবে মাশরাফি ভাই যখন এডাম গিলক্রিস্টকে ফিরিয়ে দিলো তখন আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়তে থাকে। তারপর আমরা ভালো বোলিং করে লক্ষ্যটা নিয়ন্ত্রনে রাখতে সক্ষম হই। এরপর আমাদের ব্যাটসম্যানরা ম্যাচ শেষ করে। দারুন উপভোগ্য ছিল ম্যাচটি।
নিউজক্রিকেটঃ প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়া,ইন্ডিয়া ও শ্রীলঙ্কাকে হারানো, এশিয়ান কাপে স্বর্নপদক লাভ, ও ২০১২ এশিয়া কাপে রানার আপ দলের একজন গর্বিত সদস্য আপনি। এত সব অর্জনে আপনার অনুভতি সমন্ধে জানতে চাই।
নাজমুলঃ আমি বাংলাদেশের হয়ে খেলতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে করি। আসলে একটা সময় ছিল যখন আমি একাদশে থাকলে অনেকেই বিশ্বাস করতো আজকে আমরা জিততে পারি। ডেভ হোয়াটমোর একটা টিম সেট করতেন, যে টিমটা খেললে আমরা জিততে পারি, সেই টিমের সদস্য ছিলাম আমি। আমি বাংলাদেশের লিজেন্ড খেলোয়াড় হাবিবুল বাশার সুমন ভাইয়ের সাথে খেলেছি, সুজন ভাই, সাকিব, তামিমের সাথে ড্রেসিং রুম শেয়ার করেছি। ভারত, শ্রীলংকা, অষ্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয়গুলোর স্বাক্ষী হিসাবে নিজেকে গর্বিত মনে করি।এই অর্জন গুলোর জন্য বলতে পারি আমার ক্রিকেট খেলা সার্থক হয়েছে।
নিউজক্রিকেটঃ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে টানা ১০ বছর খেলেছেন লাল-সবুজের জার্সি গায়ে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মোট ৪০ টি ম্যাচ খেলেছেন। ২ টি টেস্ট ও ৩৮ ওয়ানডে। বাংলাদেশ ক্রিকেটকে আপনার আরো অনেক কিছু দেওয়ার ছিল। সুযোগ না পাওয়া ও ইঞ্জুরির কারনে ক্যারিয়ার লম্বা করা হয়নি। এই নিয়ে কোন আক্ষেপ কাজ করে কি?
নাজমুলঃ অবশ্যই আক্ষেপ কাজ করে। দেখেন আমার বয়স এখন ৩৫ বছর। ২০১৮ সালে ক্রিকেটকে বিদায় বলেছি, সর্বেশেষ খেলেছি ২০১৩ সালে। এই পাঁচ বছরে আমি সুযোগ পেলে, কিংবা সেভাবে খেলতে পারলে কমপক্ষে আরও ৫০ টা ম্যাচ খেলতে পারতাম। বাংলাদেশকে সর্ভিস দিতে পারতাম।
আমি জানি না আমাকে কেন বাদ দেওয়া হয়েছে। এটা আসলে বিসিবিই ভাল বলতে পারবে। ২০১২ এশিয়া কাপে আমি দলের সেরা বোলার ছিলাম। তার পরেও সাত সাতটি ম্যাচে আমাকে বসে থাকতে হয়েছে। আমার যে পারফরম্যান্স ছিল, তাতে বাদ পড়ার কোনো সুযোগই ছিল না। টিম কম্বিনেশন কিংবা ইনজুরির জন্য আমাকে নেয়া হয়নি। তবে আমি যদি সুযোগ পেতাম হয়তো আরও ২-৩ বছরের দলের জন্য কিছু করতে পারতাম। সেটার জন্য একটা আক্ষেপ থেকেই যায়।
নিউজক্রিকেটঃ শুনেছি কোচ জেমি সিডন্সের বড় ভূমিকা ছিল আপনার ক্যারিয়ার হুমকিতে ফেলার পেছনে? জেমি সিডন্স আপনাকে অবহেলা করতো! সঠিক মুল্যয়ন করেননি! এমন অনেক কিছুই গণমাধ্যমে উঠে এসেছিল। এই ব্যাপারে আপনার কাছে থেকে শুনতে চাই।
নাজমুলঃ শুধু জেমি সিডন্স নয়, এরকম অনেক কোচই আছে যাদের চোখে একেক জন পছন্দের খেলোয়াড়। তার থেকে বড় কথা আমি মনে করি এরকম করে বাংলাদেশের অনেক প্রতিভাবান খেলোয়াড়ের ক্যারিয়ার ধ্বংস হয়ে গেছে। মনে করুন একজন কোচ তো দীর্ঘদিন থাকেন না। তারা আসলো আমাকে পছন্দ করতে শুরু করলো, দুই মাস পর সে চলে গেল, আরেকজন আসলো, সে আমার পারফরম্যান্স পছন্দ করলো না। আসলে এই কাজটি আমাদের নির্বাচক প্যানেলের করা উচিত। কেননা তারা ১৩-১৪ বছর দায়িত্ব আছে, তারা সবার সম্পর্কে ভালো জানেন।
আর জেমি সিডন্স এর কথা বলছেন, আমরা ২০০৮ বা ২০০৯ এ অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়েছিলাম, তখন সিডন্স আমাকে না নিয়ে অন্য একটা পেস বোলার নিতে চেয়েছিল। তখন আমাদের বোলিং কোচ ইমরান স্যার ছিলেন, তিনি বললেন, নাজমুল খেলবে। তখন জেমি সিডন্স বললেন ওকে তো দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে মারবে। আসলে সে আমার অনুশীলন দেখে একথা বলেছিল।শেষ অব্দী আমি ম্যাচে সুযোগ পাই এবং ৩ উইকেট নিই।তারপরও পরে কিন্তু ঠিকই সে আমাকে বাদ দিয়ে দেয়।
সিডন্স বলে “ওতো জোরে বল করত পারে না। আপনিই বলুন, সবাই কি এক ধরনের বোলার? যেমন রুবেল এক ধরনের, মোস্তাফিজ, তাসকিন অন্য ধরনের বোলার। মোস্তাফিজকে যদি বলা হয় ১৪৫ গতির বল করতে সে কি সফল হবে? সেতো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটই খেলতে পারবে না যদি ওকে গতির জন্য বাধ্যকতা দিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু কাটার স্লোয়ার নিয়ে সে দুর্দান্ত একজন বোলার। আমাদের যারা সেলেক্টর আছে তারা যদি এই বিষয়ে নজর দেয় যে এই ছেলেটি লাস্ট ২-৩ বছর ধরে ভালো খেলছে সে কেন বাদ যাবে। তবে সাব্বির, নাসির, তুষার, নাইম ইসলামরা আরও কিছু সুযোগ পেত।
নিউজক্রিকেটঃ ক্রিকেটকে বিদায় বলার পরও ক্রিকেটের মানুষ ক্রিকেটের সাথেই আছেন। কোচিং ক্যারিয়ার শুরু করেছেন ইতিমধ্যে। কোচিং ক্যারিয়ার কেমন চলছে? কোচিং নিয়ে আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও স্বপ্ন কি?
নাজমুলঃ আসলে আমি ১০ বছর ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছি, প্রায় ১৮ বছর প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলেছি। অবশ্যই কিছু অভিজ্ঞতা রয়েছে। সেই অভিজ্ঞতা তরুনদের সাথে শেয়ার করতে চাই। বাংলাদেশ ক্রিকেটকে সার্ভিস দিতে পারে এমন ক্রিকেটার গড়ে তুলতে চাই।
তবে দুঃখের বিষয় হলো আমরা যারা ঘরোয়া ক্রিকেটে কোচিং করাই তাদেরকে তেমন মূল্যয়ন করা হয় না। বিসিবি কিন্তু চাইলেই আমাদেরকে আরও ভালো টেনিংয়ের সুযোগ করে দিতে পারে। তারা তো জানে আমরা কেমন ছিলাম, যেহেতু তাদের সাথে খেলেছি, তারা আমাদের বড় ভাই। কিন্তু বাংলাদেশ ক্রিকেটের উন্নয়নে এসব নিয়ে ভাবা হয়না। একটা সময় দেখা যাবে বাংলাদেশ ক্রিকেট সাফার করবে।
নিউজক্রিকেটঃ আপনার ক্রিকেটে হাতেখড়ি কিভাবে? ক্রিকেটার হওয়ার পিছনে কোন মানুষ গুলোর ভূমিকা ছিল?
নাজমুলঃ ক্রিকেটার হওয়ার পিছনে সবথেকে বড় অবদান ছিল আমার মায়ের। তারপর যখন বিকেএসপিতে ভর্তি হই তখন কোচরা অনেক সাহায্য করেছে। আর যদি ন্যাশনাল টিম কিংবা ক্লাব ক্রিকেটের কথা বলেন তবে সব থেকে বড় অবদান সরোয়ার ইমরান স্যারের।
নিউজক্রিকেটঃ আপনার শৈশবের ক্রিকেট জীবনের মজার কোন গল্প আছে কি? যদি থাকে তাহলে আমাদের পাঠকদের জানার স্বার্থে যদি স্মৃতিচারন করতেন…
নাজমুলঃ আসলে সারা বছর তো প্রাসারই গেছে।ক্রিকেটে আমরা যেটাকে মজা বলি, তার থেকে কষ্টই বেশি। বিশেষ করে বলতে গেলে আমি যখন প্রথম টেস্ট খেলি ভারতের বিপক্ষে, তারপরের টেস্ট খেলতে আমার ৭ বছর লেগে যায়। পাকিস্তানের বিপক্ষে সেই ম্যাচে একজন সাংবাদিক জিজ্ঞেস করেছিল, ভাই আপনার দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচ খেলতে ৭ বছর অপেক্ষা করতে হয়, তৃতীয় টেস্ট খেলতেও কি এমন অপেক্ষা করতে হবে? তখন আমি বলেছিলাম ততদিনে তো আমার ক্যারিয়ার শেষ। মজার বিষয় হলো সেটাই হয়েছে। ( হাসি)
নিউজক্রিকেটঃ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আপনি খেলেছেন এমন ম্যাচ গুলোর মাঝে আপনার কাছে সেরা ম্যাচ কোনটি! যে ম্যাচটি আপনার আজীবন মনে থাকবে।
নাজমুলঃ আমার কাছে ২০০৫ সালে কার্ডিফে অষ্ট্রেলিয়াকে হারানো সবচাইতে সেরা জয়, এবং দ্বিতীয় সেরা বললে ২০০৪ সালে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে ভারতকে হারানোর সেই ম্যাচটি। তৃতীয় যদি বলেন তবে এসএ গেমসে বাংলাদেশের স্বর্ণপদক জয়।
নিউজক্রিকেটঃ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে আপনার কাছে সবচাইতে সেরা উইকেটটি কার ছিল? যার উইকেট নিয়ে সবচাইতে বেশি খুশি হয়েছিলেন?
নাজমুলঃ শচীন টেন্ডুলকার। শচীন টেন্ডুলকারের উইকেট নিয়ে সবচাইতে বেশি খুশি হয়েছিলাম। ২০০৪ সালে তার উইকেট নিয়েছিলাম।
নিউজক্রিকেটঃ আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপনার মুল্যবান সময় দিয়ে সহযোগীতা করার জন্য। করোনার এই ক্রান্তিলগ্নে পরিবার নিয়ে সুস্থ ও নিরাপদে থাকুন, এমনটাই প্রত্যাশা।
নাজমুল: আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ।
নিউজক্রিকেট পরিবারের জন্যও রইলো অনেক অনেক শুভকামনা।

উল্লেখ্য, সাবেক এই টাইগার ক্রিকেটার ১৯৮৭ সালে সিলেটের হবিগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন।
২০০৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার। বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় এই পেসারের। একই বছর ভারতের বিপক্ষেও ওয়ানডে ফরম্যাটে অভিষিক্ত হোন তিনি। ১০ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে টাইগারদের হয়ে মোট ৪৪টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন তিনি। ৪৪ টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ থেকে উইকেট নিয়েছেন ৫০টি। টেস্ট ফরম্যাটে ২ ম্যাচ ৫টি, ওয়ানডে ফরম্যাটে ৩৮ ম্যাচে ৪৪টি এবং টি-টুয়েন্টি ফরম্যাটে নিয়েছেন ১ উইকেট। ২০১৮ সালে হঠাৎ সব ধরনের ক্রিকেটকে বিদায় বলে দেন তিনি। বর্তমানে কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন লিজেন্ড অফ রুপগঞ্জ ক্লাব ও সিলেট ডিভিশনে।
