নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডেস্ক »
ব্যাট হাতে রান পাচ্ছিলেন না। তাড়াহুড়ো করে বার বার আউট হচ্ছিলেন ভুল শটে। বাজেভাবে আউট হয়ে ড্রেসিং রুমে ফেরার দৃশ্য বলে দিচ্ছিলো সব কথা। তবে এবার আর ভুল নয়। বিশেষ পরিকল্পনা করে সফলতা পেলেন সাকিব আল হাসান।
হঠাৎ সাকিব কিভাবে এমন পাহাড়সম চাপ ঠেলে সফলতা পেলেন? সাকিব নিজেই জানালেন সেই কথা। জানিয়েছেন, তিনি টানা ব্যর্থ হওয়াই অতিরিক্ত চিন্তা করে ফেলেছিলেন। খেলতে পারছিলেন না নির্ভার হয়ে। অবশেষে অতিরিক্ত চিন্তা ঝেড়ে ফেলে নির্ভার হয়ে খেলেই পেলেন সফলতা।
ম্যাচ শেষে এক ভিডিও বার্তায় সাকিব বলেন, “আমার মনে হয় আমি অনেক বেশি চিন্তা করছিলাম, যা এই ম্যাচের আগে পরিবর্তন করেছি। কিছু জিনিস এই ম্যাচের আগে আমাকে মনোযোগ ধরে রাখতে সহায়তা করেছে। চেষ্টা করবো এই মনোযোগ যেন ধরে রাখতে পারি।”
শুধু পরিশ্রম নয়, সাকিব মনে করেন লম্বা ইনিংস খেলতে মনোযোগ ধরে রাখার বিকল্প নেই। সাকিব আরো বলেন, “পরিশ্রম তো করতেই হয়, তবে মানসিকতা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এতদিন খেলার পর এখন যে অবস্থায় আছি, খুব বেশি টেকনিক্যাল সমস্যা হয় না। মানসিক সমস্যাই বেশি হয়। মানসিক গেম যদি নিজের সঙ্গে নিজে জিততে পারি তাহলে মনে হয় আমার জন্য নিয়মিত রান করা সম্ভব।”
প্রথম ম্যাচে ব্যাট হাতে না পারলেও বল হাতে পাঁচ উইকেট নিয়ে বিশেষ অবদান রেখেছিলেন সাকিব। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে এসে বল হাতে ২ উইকেট নেয়ার পাশাপাশি ব্যাট হাতে করলেন অপরিচিত ৯৬ রান। তাই ম্যাচ সেরার পুরস্কারটাও উঠেছে এই অলরাউন্ডারের হাতে।
তবে নিজের ব্যক্তিগত অর্জনের থেকে দলের জয়ে বেশি তৃপ্তি পাচ্ছেন সাকিব, “দলের জেতার জন্য বড় অবদান ছিল, সেদিন থেকে খুশি। সবসময় দলে অবদান রাখার চেষ্টা করি। দুইদিনই তা করতে পেরে খুবই খুশি।”
রান তাড়ায় সাকিব তার পরিকল্পনা নিয়ে আরো বলেন, “আফিফের সঙ্গে ব্যাটিংয়ের সময় একটা কথাই বলছিলাম- আমরা ব্যাটসম্যানরা ৪৫ ওভার পর্যন্ত ব্যাট করলে দেখতে পারব কোথায় আছি। এরপর ১৫-২০ বা ৩০ রান ২-৩ ওভারেও করা সম্ভব এখনকার ওয়ানডে ক্রিকেটে।
সবসময় টার্গেট ছিল খেলা যতটা ক্লোজ করতে পারি, তারপর জয়ের ব্যাপারে দেখব। তখনও ভাবিনি আমাদের ৬০-৭০ রান লাগে এবং সেটা দ্রুত তাড়া করতে হবে। সবসময় জানতাম, এখনকার ওয়ানডে ক্রিকেটে এই পরিস্থিতি থেকে রানটি তাড়া করা খুবই সম্ভব।”
