নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডেস্ক »
তাসকিন আহমেদ বদলে যাওয়া এক পেস বোলারের নাম। অন্ধকার ছায়া অতিক্রম করে কিভাবে আলোর পথে ফিরতে হয় বর্তমান সময়ে তাসকিন তার জ্বলন্ত উদহরন। নতুন সূর্যের আগমন দেখতে চাইলে একটা রাত নির্ভয়ে অতিক্রম করতে হয়। তাসকিন আহমেদ নিজেকে নতুন করে তৈরি করতে এরকম অনেক রাত নির্ভয়ে কাটিয়ে দিয়েছেন। পরিশ্রম আর অধ্যাবসায় দিয়ে ঠিকই ফিরেছেন আলোর মশাল হাতে। নিউজিল্যান্ড, শ্রীলংকাকে কাঁপিয়ে দেওয়ার পর জিম্বাবুয়ে সফরেও নিজেকে নিংড়ে দিতে প্রস্তুত তাসকিন আহমেদ।
বাংলাদেশ দল সর্বশেষ জিম্বাবুয়ের সফর করে ২০১৩ সালে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাসকিনের আগমন ২০১৪ সালে। যার কারনে এবারই প্রথম গেলেন জিম্বাবুয়ে সফরে। দীর্ঘদিন পর জাতীয় দলের জার্সিতে ফিরে দূর্দান্ত সময় পার করছেন স্পিড স্টার খ্যাত তাসকিন আহমেদ। তার এই ভাল সময়ে নিজেকে আরও মেলে ধরতে প্রস্তুত তাসকিন।
তিনি বলেন, ‘আমি খুবই রোমাঞ্চিত, ভালো লাগছে, প্রথমবার জিম্বাবুয়েতে আসলাম। সুযোগ-সুবিধাসহ সবকিছু উপভোগ করছি। মুখিয়ে আছি খেলার জন্য।’
করোনা ভাইরাসের কারনে হোম এবং এওয়ে প্রতিটা সিরিজেই জৈব সুরক্ষা বলায়ে থাকতে হচ্ছে খেলোয়ারদের। জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকার কারণে ক্রিকেটারদের কাজ হয়ে উঠেছে আগের চেয়েও কঠিন। তবে দেশকে সাফল্য হাসাতে শত কাঠিন্যেও কোনো আপত্তি নেই তাসকিনের।
তিনি বলেন, ‘আসলে বায়োবাবল জীবন সহজ নয়। ঢাকায় হোম সিরিজ খেললেও পরিবার থেকে দূরে থাকতে হয়। হোম এবং অ্যাওয়ে সিরিজ দুটাই এখন বলয়ে আবদ্ধ। মানসিক চাপের মধ্যেই থাকি আমরা। আর খেলার মধ্যে তো একটা চাপ থাকেই। এর মধ্যেও আমরা দেশের জন্য খেলি, সবকিছু ত্যাগ করে নিজের সেরাটা দেই, ভালো করতে চাই, দেশকে জয় উপহার দিতে চাই।’
মাঠের পারফরম্যান্সে স্বস্তি তাসকিন আহমেদ। মাঠের বাইরেও নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখার প্রক্রিয়া অনুসরণ করছেন তাসকিন। নিজেকে মানসিকভাবে প্রস্তুত রেখেছেন আরও ভালো পারফরম্যান্সের জন্য। সুযোগ এলে নিজের সেরাটা দিয়েই লড়বেন তিনি।
এ ব্যাপারে তাসকিন বলেন ‘আল্লাহর রহমতে আগের চেয়ে ভালো হচ্ছে। তবে এখনও উন্নতির অনেক জায়গা আছে। আমি মাঠের বাইরের প্রক্রিয়াই সবসময় অনুসরণ করছি। এটাই নিয়ন্ত্রণে আছে, এখানেই শতভাগ দিতে পারব। যদি আরও উন্নত করতে পারি ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতে ভালো কিছু হবে এবং এই সিরিজেও ভালো কিছু করার ব্যাপারে আশাবাদী।
নিউজক্রিকেট/ রাসেল।
