জৈব সুরক্ষা বলয় একটা পরিবার তৈরি করে দিয়েছে পাকিস্তানকে

নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডেস্ক »

 

 

করোনা মহামারীর পর থেকেই ক্রিকেটে বায়ো বাবল মেনেই সিরিজ আয়োজন করা হয়। আর এই বায়ো বাবলের জন্য ক্রিকেটারদেরকে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন পালন করতে হয়। যেটা এক প্রকার কষ্টসাধ্য ব্যাপার। লম্বা সময় পরিবার থেকে আলাদা থাকার ব্যাপার তো থাকছেই, সেই সাথে হোটেল রুমে একা বন্দি থাকাটাও বেশ কষ্টকর। তবে পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা সেটার সাথে মানিয়ে নিয়ে একটা পরিবারের মতোন হয়েছে বলে জানান প্রধান কোচ মিসবাহ উল হক।

একঘেয়েমির পরিবর্তে জৈব সুরক্ষা বলয় উপভোগ করছেন মিসবাহ ও তার দল। যা তাদের একটি পরিবার হিসেবে গড়ে তুলেছে বলেও মনে করেন পাকিস্তানের প্রধান কোচ। সঙ্গে জানিয়েছেন লকডাউন উপভোগ করার কথা। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রধান কোচ হিসাবে আমি লকডাউনে থাকতে পছন্দ করি!’

তিনি আরও বলেন, ‘জৈব সুরক্ষা বলয়ে একসঙ্গে থাকতে পারা দলকে সহায়তা করে। একজন আরেকজনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে পারে, গেমরুমে বা টিম রুমে একসঙ্গে যে কোন কিছু করা যায়, একসঙ্গে অনুশীলন করা যায় এমনকি একসঙ্গে খাবার খাওয়া যায়। সত্যিই এটা অসাধারণ।’

বায়ো বাবলে থাকা কষ্টের হলেও সেই কষ্ট ভুলে সব খেলোয়াড়েরা পরিবারের মতোন যে একসাথে থাকছে সেটাকেই পজিটিভ ভাবে দেখছেন পাকিস্তানি কোচ।

তিনি বলেন, ‘স্পষ্টত একটি বিষয় একটু কষ্টদায়ক ছিল যে আমাদের বাইরে থেকে, পরিবার এবং অন্য সকলের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকতে হয়েছিল। কিন্তু সেই সময় পুরো দলটি একটি পরিবারে পরিণত হয়েছিল এবং এটি আসলে আমাদের সহায়তা করেছিল।

করোনা মহামারীতে সর্বপ্রথম ইংল্যান্ড সফরে যায় পাকিস্তান। সেখানেই বায়ো বাবল পদ্ধতি চালু হয়। এরপর ওয়েস্ট ইন্ডিজও ইংল্যান্ড সফরে যায়। বর্তমানে প্রায় সব দলই এভাবেই সিরিজ খেলছে। করোনাকে পাশ কাটিয়ে খেলা চালিয়ে যেয়ে আপাতত এই কষ্টকেই আপন করে নিতে হচ্ছে সব ক্রিকেটারের।

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »