দুই কোচ নিয়োগের কথা জানেনই না সুজন!

নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডেস্ক »

 

গত ২৬ জুন বাংলাদেশ জাতীয় দলের জন্য স্পিন বোলিং কোচ ও ব্যাটিং কোচ হিসাবে রঙ্গনা হেরাথ এবং অ্যাশওয়েল প্রিন্সকে নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তবে কোচিং প্যানেলে নতুন দুইজন স্টাফ নিয়োগ দেওয়া হলেও এই বিষয়ে জানতেন না বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ সুজন। গণমাধ্যমে কথা বলার সময় এ বিষয় নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তিনি।

দলের কোচিং স্টাফ নিয়োগ দেওয়া কিংবা তাদের ভালো মন্দ দেখভাল করার দায়িত্ব ক্রিকেট অপারেশন্স বিভাগের উপর ন্যাস্ত । খালেদ মাহমুদ সুজন মুলত গেম ডেভেলপমেন্ট বিভাগের প্রধান হলেও ক্রিকেট অপারেশন্স বিভাগেরও একজন গুরুত্বপূর্ন সদস্য। অপারেশন্স কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান তিনি। কোচ নিয়োগের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তার অবগত থাকা জরুরি।

 

সুজন বলেন, ‘আমি তো অপারেশন্সের ভাইস চেয়ারম্যান। আমি পরে আপনাদের কাছ থেকে জেনেছি যে দুইজন কোচ নিয়োগ করা হয়েছে। আমাকে কেউ জানায়নি। হয়ত বাবলে ছিলাম বলে… বাবলে তো ফোন ছিল। হেরাথের কথা আমিই প্রথমে বলেছিলাম বিসিবিকে।’

শুধু কোচ নিয়োগ নয়, সুজনের দাবি বোর্ডের অনেক ব্যাপারই তার অজানা থেকে যায়, কখনো বোর্ড মিটিংয়ে ডাকা হয়, কখনো ডাকাই হয় না। অপারেশন্স কমিটির সদস্য হিসেবে আছেন কিনা সেটাই জানেন না সুজন।

তিনি বলেন, ‘আমি এখনও অপারেশন্সের ভাইস চেয়ারম্যান আছি কি না এটাই নিশ্চিত নই। নামে আছি, কিন্তু আমার কোনো মিটিংয়ে থাকা হয় না বা আমাকে ডাকাও হয় না। মাঝখানে দুই বছর ইমেইলই পাইনি। এখন তাও মাঝেমাঝে পাই।’

‘আমাকে জানানোর প্রয়োজন মনে না করে তাহলে আমি জানব কীভাবে?’

শ্রীংলঙ্কার বিপক্ষে টিম লিডার হিসাবে ছিলেন খালেদ মাহমুদ সুজন। তার উপস্থিতি দলের খেলোয়ারদের পজিটিভ দেখা গিয়েছিল। তবে কিছুদিন আগেই জাতীয় দলের টিম লিডারের পদ থেকে সড়ে দাঁড়ান তিনি। তার মধ্যে যে চাপা অসন্তোষ কাজ করছে তা স্পষ্টই ছিল, তবে আরও স্পষ্ট হল সোমবারের এই বক্তব্যে। সুজন আরও বলেন, ‘পাপন ভাই তো দায়িত্ব দিয়ে আমাদের স্বাধীনতা দিয়েছেন।এমন নয় যে বলেন তুমি এটা কেন করলে, এটা কেন করলে না, এটা করতে পারব না। উল্টো আমি যা চাই উনি আমাকে সবসময় সাপোর্ট করার চেষ্টা করেন।’

নিউজক্রিকেট /রাসেল।

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »