প্রথমবারের মত জাতীয় দলে সুযোগ পেয়ে খুশি শামীম-

নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডেস্ক »

 

 

অনূর্ধ্ব- ১৯ বিশ্বকাপ জয়ীদলের সদস্য চাঁদপুরের ছেলে শামীম হোসেন পাটোয়ারী এখন জাতীয়দলে। অজপাড়া থেকে উঠে আসা তরুণ এই ক্রিকেটার বয়সভিত্তিক ক্রিকেট পার হয়ে প্রথমবারের মতো জাতীয় দলে জায়গা করে নিয়েছেন।

গেল বছর বিশ্বকাপের পর বেশ কয়েকটি টুর্নামেন্ট ও সিরিজে দারুন পারফরম্যান্স করেন শামীম। যেমন, আয়ারল্যান্ড উলভসের বিপক্ষে শেষ দুই ওয়ানডেতেই ঝড় তুলে খেলেছেন। বঙ্গবন্ধু টি টোয়েন্টি কাপে তো সেরা ফিল্ডার হয়ে মাহমুদউল্লাহর কাছ থেকে ব্যাটই উপহার পেয়েছিলেন। প্রাইম দোলেশ্বরের হয়ে চলমান লিগে ব্যাট কিংবা বোলিংয়ে খুব একটা সুযোগ না পেলেও ফিল্ডিংয়ে নিজের কাজটা ঠিকই করে গেছেন শামীম। সবমিলিয়ে নির্বাচকদের নজর তার উপর বসিয়েই নিয়েছে তরুন এই ক্রিকেটার।

প্রথমবারের মতো জাতীয়দলে ডাক পেয়ে শামীম বলেন, ‘ব্যাটিংয়ে আমার পজিশন ছয় নম্বর। আমি চাই যেভাবেই হোক ফিনিশিংটা করতে আর দলকে এগিয়ে নিতে। এটাই আমার লক্ষ্য থাকে। তবে আমি জানি, নিজের ভূমিকা সম্পর্কে। ব্যাটিং, বোলিং কিংবা ফিল্ডিং- যেভাবেই সুযোগ আসবে, সেভাবেই দলকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা থাকবে।’

তার জাতীয়দলে ডাক পাওয়ার খবরে দারুণ খুশি পরিবার। শামীম বলেন ‘পরিবারের সবাই খুব খুশি। মা-বাবাতো সবচেয়ে বেশি খুশি। খুশি না হয়ে কি পারে? দল ঘোষণার আগেই জানতে পেরেছিলাম, সুযোগ হতে পারে। আসলে সুযোগটাইতো বড় নয়, কাজে লাগানোটাই বড়। নির্বাচকরা আমার ওপর আস্থা রেখেছেন, আমাকে অবশ্যই সেই আস্থার প্রতিদান দিতে হবে।’

ক্রিকেটার হয়ে ওঠার পথে বাবার চেয়ে চাচা আনোয়ারের সমর্থনকেই বেশি স্মরণ করেন বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের এই অলরাউন্ডার। সবসময়ই শামীমের পাশে ছিলেন চাচা। পাশাপাশি চাচাতো ভাইদেরও সহযোগিতা পেয়েছেন। স্থানীয় ক্রিকেটে শামীমের আশাজাগানিয়া পারফরম্যান্স দেখে তারাই তাকে ভর্তি করে দেন ক্লেমন ক্রিকেট একাডেমিতে। সেখান থেকেই শামীমের ঠিকানা হয় দেশের ক্রিকেটের সূতিকাগার বিকেএসপি। এমন খুশির দিনে চাচাকেও স্মরণ করলেন শামীম, ‘চাচা অনেক খুশি। সবাইকে ধন্যবাদ, যারা আমাকে ক্রিকেটার হয়ে উঠতে সহায়তা করেছেন। আমার শৈশবের কোচ, বিকেএসপির কোচ যারা আছেন, সবাইকে অনেক ধন্যবাদ।’

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »