নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডেস্ক »
ক্রিকেট বিশ্বে বিধ্বংসী এবং আক্রমণাত্ম ব্যাটসম্যান হিসাবেই পরিচিত ডি ভিলিয়ার্স!দৃষ্টিনন্দন ও উদ্ভাবনী সব শট খেলে দর্শকদের মুগ্ধ করেন তিনি। মনোরঞ্জন করেন ক্রিকেট পোকাদের। উইকেটের চারপাশে শট খেলার কারুকাজ তার থেকে ভালো জানেন না আর কোনো ব্যাটসম্যান ।ধুম-ধাড়াক্কা ব্যাটিং করার সঙ্গে মাঠের চারিদিকে শট খেলার জন্যই তার নাম মিঃ থ্রি সিক্সটি ডিগ্রি। নিজের দিনে বিশ্বের যে কোন বোলারকে তুলোধুনো করার সামর্থ্য রয়েছে তার।
ডি ভিলিয়ার্স আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় নিলেও নিয়মিতই খেলেছেন ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট। দীর্ঘদিন ধরেই ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএলে) খেলছেন তিনি। আইপিএল এর নিয়মিত মুখ হওয়ায় খুব কাছে থেকেই ডি ভিলিয়ার্সের খেলা দেখেছেন গাভাস্কার। নিজে টেস্ট ঘরোনার ক্রিকেটার হলেও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু হয়ে খেলা এই ব্যাটসম্যানের ব্যাটিং পছন্দ গাভাস্কারের। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সেই ডি ভিলিয়ার্সকেই সেরা মানছেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে গাভাস্কার বলেন, ‘এবি ডি ভিলিয়ার্স… যেভাবে ব্যাট কর, সবাই জানেন, ৩৬০ ডিগ্রি খেলতে পারে সে। এমনভাবে সে খেলে, মনে হয় যেন আপনি তাকে নেট সেশনে ব্যাট করতে দেখছেন। তাকে দেখলে মনে হয় ব্যাটিং করা কতই না সহজ!
তিনি আরও বলেন, ‘অনেক দূরে বল পাঠাতে পারে, পাশাপাশি আমাদের মতোই নান্দনিক সে। কিছু কিছু শট যখন সে খেলে, তার ব্যাটের ফলো থ্রু ঠিক কাঁধের ওপর পর্যন্ত যায়। তার মানে, এসব শুধু পাঞ্চ নয়, একদম খাঁটি ক্রিকেট শট। তার ব্যাটিং দেখতে দারুণ পছন্দ করি।’
ভারতের কিংবদন্তি খেলোয়ার সুনিল গাভস্কর। এক সময় ২২ গজে বিশ্বের বাঘা বাঘা বোলারদের শাসন করেছেন তিনি। বিশ্বের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসাবে আন্তর্জাতিক টেস্ট ক্রিকেটে ১০,০০০ হাজার রান করেছেন তিনি। তবে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফর্মেটের সাথে পরিচিন নন তিনি। কেননা ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফরম্যাট টি-টোয়েন্টির শুরুটা ২০০৫ সালের দিকে। আর গাভাস্কার ক্রিকেট ছেড়েছেন ১৯৮৭ সালের সময়টাতে। যার কারনে টি টোয়েন্টি ক্রিকেটে খেলা হয় নি তার।
আধুনিক ক্রিকেটে এসে ধুম ধারাক্কা ব্যাটিংয়ের কারনে টেস্ট ক্রিকেটের প্রতি তরুনদের আকর্ষন কম বলে মনে করেন অনেক সাবেক খেলোয়াররা।সেই সঙ্গে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটও টেস্ট ক্রিকেটার তৈরিতে বড় বাধা তৈরি করছে। গাভাস্কর নিজেও টেস্ট ঘোরনার ক্রিকেটার ছিলেন। তারপরেও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ভালো লাগে তাঁর। ভালো লাগার কারণটাও একেবারে সরল বলে জানিয়েছেন তিনি।
গাভাস্কার বলেন, ‘জানি, আমাদের সময়ে যারা খেলেছেন, তাদের অনেকেই টি-টোয়েন্টি সংস্করণ নিয়ে খুশি নয়। কিন্তু আমি সত্যি বলতে এটাকে ভালোবাসি। আমার ভালো লাগার মূল কারণটা সরল, সবাই জানি যে এটা স্রেফ তিন ঘণ্টার ম্যাচ, ফল আসবেই এবং অনেক ঘটনা ঘটবে। কেউ যখন রিভার্স সুইপ বা সুইচ হিট খেলে, আমি লাফিয়ে উঠি। কারণ আমি জানি, এসব অসাধারণ ও অবিশ্বাস্য শট, এসবে ছক্কা মারা অনেক স্কিলের ব্যাপার
নিউজক্রিকেট /রাসেল।
