নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডেস্ক »
চলতি ঢাকা প্রিমিয়ার লিগটি (ডিপিএল) বহুল প্রতীক্ষার উপর দিয়েও অনুষ্ঠিত হতে চলছে। দ্বিতীয় রাউন্ড শেষে সেরা পারফরম্যান্স কেবল সিনিয়র ক্রিকেটারদের আদলেই। তবে এতে বিস্মিত নন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজন।
আবাহনী লিমিটেডের কোচ সুজন দীর্ঘদিন ধরেই কাছ থেকে অবলোকন করছে ঢাকা লিগের ম্যাচগুলো। পাশাপাশি সিনিয়র ক্রিকেটার ও উঠতি ক্রিকেটারে ভরপুর এই টুর্নামেন্টে বড় তারকাদেরই ভালো পারফর্ম করাকে তিনি অস্বাভাবিকভাবে চাননা। তবে, আগামী ম্যাচগুলোতে তরুণরাও ভালো করবেন, এমনটাই প্রত্যাশা করছেন তিনি। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ডিপিএলে সিনিয়র ক্রিকেটাররা ম্যাচ জেতাবে এটাই স্বাভাবিক। তারা অনেক অভিজ্ঞ। তবে তরুণদের প্রতি আমাদের প্রত্যাশা বেশি। শুধু আবাহনীর কথা বলব না, যত তরুণ আছে সবার কাছেই। আশা করি টুর্নামেন্ট যত এগোবে তত তাদের ভালো পারফরম্যান্স দেখতে পারব এবং তাদের ভালো পারফরম্যান্সে টুর্নামেন্ট আরও জমে উঠবে।’
সিনিয়র ক্রিকেটারদের মধ্যে প্রথম রাউন্ডেই আলো ছড়িয়েছিলেন সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল ও মুশফিকুর রহিম, পরের রাউন্ডে জ্বলে ওঠে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদও। এছাড়া অন্যান্য যারা রয়েছেন তারা, নিজ নিজ দলের জয়ে দারুন ভূমিকা পালন করছেন। আবাহনী যেমন শেষ ম্যাচে জয় পেয়েছে জাতীয় দলের তারকা মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের দারুন পারফরম্যান্সে।
যদিও আবাহনীর পারফরম্যান্স পুরোপুরি সন্তুষ্ট করতে পারছে না কোচ সুজনকে। তিনি বলেন, ‘প্রথম দুইটা ম্যাচই আমাদের জন্য যথেষ্ট কঠিন ছিল। প্রথম ম্যাচ ডাকওয়ার্থ লুইসে একটু চ্যালেঞ্জিং হয়ে গিয়েছিল। তবে দ্বিতীয় ম্যাচ নিয়ে আমি হতাশ। ভালো উইকেটেও আমরা খুব একটা বড় রান করতে পারিনি। টপ অর্ডার থেকেও সেভাবে কেউ বড় রান করতে পারেনি। আমি বলব এটা ব্যর্থতাই। টি-টোয়েন্টিতে দ্রুত উইকেট হারিয়ে ফেললে রান করা খুব কঠিন। ছেলেরা সেট হয়ে ছোট ছোট ইনিংস খেলে আউট হয়ে যাচ্ছে, এটা উদ্বেগজনক। তবে ছেলেদের বড় ইনিংস খেলার সামর্থ্য আছে। পরের ম্যাচে ঘুরে দাঁড়াবো বলে বিশ্বাস করি। পাশাপাশি পরিস্থিতি সামলাতে হবে। স্ট্রাইক রোটেট করতে হবে। মারার সময় এলে ঠিক বলে মারতে হবে। আমরা যেরকম খেলেছি এর চেয়েও আমরা ভালো দল। জাতীয় দলের বেশিরভাগ ব্যাটসম্যানই আমাদের ব্যাটিং অর্ডারে।
