নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডেস্ক »
একজন খেলোয়াড় ক্রিকেটে হাতেখড়ি থেকেই মনের ভিতরে দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করার ছক আঁকেন। স্বপ্ন পুরনের লক্ষ্যে স্থির থাকেন। নিজেকে প্রমান করতে মরিয়া থাকেন। দেশের ক্রিকেটকে সার্ভিস দিতে চান নিজের মেধা এবং সামর্থ্যের পুরোটা দিয়ে। ভারতের তরুণ ক্রিকেটার ঈশান কিশানও এর ব্যতিক্রম নন। জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার কিংবা প্রথমবারএর মতো ভারতের জার্সি গায়ে জড়ানোর অনুভূতি তার কাছে ছিল বিশেষ কিছু।
ইশান কিশান ভারতীয় জার্সি গায়ে জরিয়েছেন অনেক আগেই। সেটি ছিল জুনিয়র লেভেলে। ২০১৬ অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে ভারতের নেতৃত্বে ছিলেন তিনি। সেই দলে খেলা রুশাব পান্ত, ওয়াশিংটন সুন্দর সহ আরও দু,একজন জাতীয় দলেও খেলে ফেলেছিলেন ইশানের আগেই। ইশান কিশানের অপেক্ষা বারলেও হাল ছেড়ে দেন নি তিনি। ২০২০ ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) অসাধারণ ব্যাট করেছিলেন কিশান। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন তিনি। মুম্বাইয়ের হয়ে ১৪ ম্যাচে ৫৭.৩৩ গড়ে ৫১৬ রান করেছিলেন তিনি। মুম্বাইয়ের রেকর্ড ৫ম বারের মতো আইপিএল ট্রফি জেতাতে রেখেছিলেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।
এমন পারফরম্যান্স এর পর স্বপ্নটা যেন উকি দিচ্ছিল ভোরের উদীত সূড়যের ন্যায়। সময়টাও এসে গেল একদিন।ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৫ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের ৩য় ম্যাচে অভিষেক ঘটে কিশানের। অভিষেক ম্যাচেই হাঁকান অসাধারণ একটি হাফ সেঞ্চুরি। ৩২ বলে ৫৬ রানের ইনিংস খেলে ভারতকে ম্যাচ জয়ের আনন্দে ভাসান।ম্যাচ শেষে জেতেন ম্যান অব দ্যা ম্যাচের পুরষ্কার।
সম্প্রতি মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে একটি সাক্ষাৎকারে প্রথমবার ভারত দলে ডাক পাওয়ার অনুভূতি ভাগাভাগি কথা জানান।
কিশান বলেন, ‘এটা খুব বিশেষ ছিল। আপনি জানেন যে আপনি ডাক পেয়েছেন এবং তারপরে আপনি আপনার বাবা-মাকে ফোন করলেন এটি জিজ্ঞাসা করার জন্য যে তারা কেমন অনুভব করছেন তাদের সন্তানের এ ধরণের সাফল্যে।’
তিনি আরো যোগ করে বলেন, ‘তাই আমি যখন আমার বাবা-মাকে ফোন করেছি তারা ইতিমধ্যে কাঁদছিল। এটা আমার জন্য খুব গর্বের মুহূর্ত ছিল। স্পষ্টতই, প্রতিটি ক্রিকেটারের তাদের দেশের হয়ে খেলা স্বপ্ন থাকে। আমারও তাই ছিল।
নিউজক্রিকেট /রাসেল।
