নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডেস্ক »
ভারত থেকে ফিরেই ১৪ দিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনে আছেন সাকিব আল হাসান ও মুস্তাফিজুর রহমান। এদিকে আজ করোনা পরীক্ষায় নেগেটিভ এসেছেন সাকিব আল হাসান। তার কোয়ারেন্টাইন ইস্যুতে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে আগেই জানিয়েছিলো স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। তবে শ্রীলঙ্কা সফর শেষে যারা ফিরেছে তারা করোনা ফলাফল নেগেটিভ এলেই অনুশীলনে যোগ দিতে পারবেন বলে জানায় বিসিবি।
এ ব্যাপারে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী বলেন ‘আমাদের প্রাথমিক চ্যালেঞ্জ ছিল জাতীয় দলের সবাইকে একটি অনুশীলনের আওতায় নিয়ে আসা। আমরা সরকারের কাছে থেকে সবুজ সংকেত পেয়েছি তাদের (শ্রীলঙ্কা থেকে ফেরা সদস্যদের) করোনা টেস্ট রেজাল্ট নেগেটিভ হওয়া সাপেক্ষে জাতীয় দলের সঙ্গে অনুশীলন করতে পারবে। আমরা আশা করছি শীঘ্রই তারা অনুশীলন শুরু করবে।’
এদিকে এখনো বিপাকে আছেন সাকিব-মুস্তাফিজরা। দেশে ফিরলেও আছেন ১৪ দিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনে। তবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে বিসিবি যোগাযোগ করে চেষ্টা করছে কোয়ারেন্টাইনের সময় কমানোর জন্য৷ যাতে করে তারা পর্যাপ্ত অনুশীলনের সুযোগ পায়। তবে এখন পর্যন্ত তাদের প্রস্তাবের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কোনো সিদ্ধান্ত জানান নি।
যদিও প্রথমেই তারা কোয়ারেন্টাইন ইস্যুতে ১৪ দিনের ব্যাপারে একদম অনড় ছিলো। তবু সাকিব-মুস্তাফিজদের একটু আগেই অনুশীলনে পেতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে বিসিবি। এদিকে আজকে যেহেতু সাকিবের করোনা টেস্ট ফলাফল নেগেটিভ এসেছে এতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কোয়ারেন্টাইনের ব্যাপারে কিছুটা নরম হতে পারে বলে ধারনা বিসিবির।
বিসিবির প্রধান নির্বাহী বলেন, ‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেট বা অন্যান্য স্পোর্টস ইভেন্ট যাই বলেন একটা আলাদা প্রোটোকল আছে। আমাদের দেশে অথবা যে কোনো জায়গায় যে কোভিড প্রোটোকল আছে এটা কিন্তু সাধারণ মানুষের জন্য। সাধারণ মানুষ বলতে আমি বলছি যারা সাধারণ যাত্রী তারা একটা টেস্ট নেগেটিভ হয়েই আসছেন। এরপর সরকারের যে নিয়ম সে অনুসারে তারা ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন মেইনটেইন করছেন। দেখা যাচ্ছে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের কয়েকবার করোনা টেস্ট হচ্ছে, নেগেটিভ হলেই তারা ইভেন্টে অংশ নিতে পারছেন। এটা কিন্তু সব জায়গায় হয়ে আসছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘আপনারা জানেন নিউজিল্যান্ড কতটা নিরাপদ ছিল, সেখানেও কিন্তু কোয়ারেন্টাইন ছাড়া অনুমতি মেলেনি। সেখানে সম্প্রতি বাংলাদেশ একটা সিরিজ খেলে এসেছে। সেক্ষেত্রে একটা ইভেন্টে যারা অংশ নেয় তাদের আর সাধারণ জনগণের প্রোটোকল এক হওয়ার কথা না। এখানে আমাদের একটা জটিলতা হচ্ছে, আশা করি খুব দ্রুতই আমরা এটা মিনিমাইজ করে নিতে পারবো।’
