নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডেস্ক »
নিউজিল্যান্ডের মাটিতে তিন ফর্মেট মিলে ৩১ টি ম্যাচ খেলে ফেলেছে টাইগাররা। এখন পর্যন্ত কোনো জয়ের দেখা পায়নি। একের পর এক পরাজয় মেনে নিতে হচ্ছে তাদের। নিউজিল্যান্ডে আক্ষেপ শুধু পরাজয়ই নয়, সমর্থকদের হতাশা জাগাচ্ছে প্রতিরোধহীন ক্রিকেটও। ঘরের মাঠে শক্তিশালী দল স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড। তাই বলে এভাবে লড়াইয়ে পিছিয়ে থাকবে বাংলাদেশ। তৃতীয় এবং শেষ ম্যাচে প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়তে চায় বাংলাদেশ।
প্রতি ম্যাচ সংবাদ সম্মেলনে এসে একই ধরনের কারন দেখায় খেলোয়াড়রা। তামিম ইকবাল, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদরা যেন নতুন করে কিছু বলার পাচ্ছেন না। বলবেনই বা কী! প্রতি ম্যাচেই তো একই দৃশ্যপট, সাফল্যের জন্য একই হাহাকার। পূর্ব ম্যাচের তিক্ত স্বাদ থেকে নতুন করে শেখার থাকে না কিছুই। পরের ম্যাচে ঘটছে আগের ম্যাচের পুনরাবৃত্তি। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি শেষে তাই সংবাদ সম্মেলনে এলেন রাসেল ডমিঙ্গো। প্রধান কোচ এ সময় আশা প্রকাশ করেন, শেষ ম্যাচে বাংলাদেশ আরও শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারবে।
ওয়ানডেতে ৩-০ তে হারার পর টি টোয়েন্টি তে ইতিমধ্যেই সিরিজ হেরেছে বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টি সিরিজ খোয়ানোর পর ডমিঙ্গো বলেন, ‘১০ ওভারে ১০০ রান, শুরুটা ভালোই ছিল। হ্যাঁ, আমরা সুন্দরভাবে শেষ করতে পারিনি। তবে এই ম্যাচ থেকে নেওয়ার মত ইতিবাচক অনেক কিছু আছে।’
শুধু বাংলাদেশ নয়, সম্প্রতিক বছর গুলোতে ঘরের মাটিতে ভয়ংকর এক দল নিউজিল্যান্ড। তাদের কাছে আত্মসমর্পণ করছে ভারত, অষ্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান, ওয়েস্ট ইন্ডিজের মতো দলগুলোও।নিউজিল্যান্ডের দাপুটে ক্রিকেট মাঠের খেলায় স্বস্তিকর হলেও ডমিঙ্গোর কণ্ঠে অন্তত নয়। কিন্তু সফরকারী দলের গুরু কীভাবেই বা অস্বীকার করবেন স্বাগতিকদের কৃতিত্ব? তিনি বলেন, ‘নিউজিল্যান্ড ভালো খেলছে। আমরা তাদের সমকক্ষ হতে পারছি না। যথেষ্ট ধারাবাহিক নই। এখানে পাঁচ ওভার খারাপ গেলে নিউজিল্যান্ড আপনাকে চেপে ধরবে।’
তবুও সতীর্থদের প্রতি প্রত্যাশা রয়েছে ডমিঙ্গোর, তিনি মনে করেন পরের ম্যাচে আরও ভালো পারফরম্যান্স হবে। তিনি বলেন ‘পরের ম্যাচে ৪০ ওভারই ওদের চাপে রাখতে হবে। আশা করি শেষ ম্যাচে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারব।’
নিউজক্রিকেট / রাসেল।
