নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডেস্ক »
সিরিজের ২য় টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশকে ২৮ রানে হারিয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতে ২-০ তে সিরিজ জিতে নিলো স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড।
নেপিয়ারে টসে জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। শুরুটা ভালোই করে কিউইরা, ওপেনিং জুটিতে ৪ ওভারে আসে ৩৬ রান। এরপর ১৯ রানের মাথায় নেই নিউজিল্যান্ডের ৩ উইকেট! ৫৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে স্বাগতিকরা। ৪র্থ উইকেটে উইল ইয়ঙ ও ফিলিপসের ৩৯ রানের জুটি চাপ সামাল দিলেও মাত্র ১৪ রান করে ফেরত যান ইয়ঙ। এক প্রান্তে ব্যাট হাতে ঝড় তুলে গ্লেন ফিলিপ্স! দলীয় ১১১ রানে ব্যক্তিগত ৭ রানে মার্ক চাপম্যান আউট হলেও রান রেট ধরে রাখে কিউইরা। মাঝে সাময়িক বৃষ্টি হলেও পুনরায় কিছুক্ষণের মধ্যেই খেলা শুরু হয়। ৬ষ্ঠ উইকেটে ফিলিপস ও ডেরেল মিচেলের ২৭ বলে ৬২ রানের ঝড়ো জুটিতে ১৭.৫ ওভারে ৫ উইকেটে ১৭৩ রান করলে আবারো বাগড়া দেয় বৃষ্টি। এরপর আর মাঠে নামতে পারেনি কিউইরা!
কিউদের পক্ষে ৩১ বলে ৫৮ রানে ফিলিপস ও ১৬ বলে ৩৪ রানে অপরাজিত থাকেন ডেরেল মিচেল। টাইগারদের পক্ষে মাহেদি হাসান ৪৫ রানে নেন দুই উইকেট।
ডার্ক ওয়ার্থ মেথডে একটা মৌখিক ক্যালকুলেশনে ১৬ ওভারে ১৪৮ রানের লক্ষ্যমাত্রা দাঁড়ায় বাংলাদেশের সামনের। যদিও সে ব্যাপারে অফিসিয়ালি কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। অফিসিয়াল লক্ষ্যমাত্রা ছাড়াই ২য় ইনিংসে ব্যাট করতে নামে টাইগাররা। প্রথম ৯ বল খেলা শেষে ম্যাচ অফিসিয়াল খেলা বন্ধ রাখে কিছুক্ষণ, এরপর নতুন লক্ষ্যমাত্রা দাড়াঁয় ১৭০ রানের!!
শুরুতেই মাত্র ১৩ রানে ব্যক্তিগত ৫ রানে ফেরেন লিটন দাশ। পুরো সিরিজেই ব্যাট হাতে ব্যর্থ লিটন এদিনও ফেরেন দ্রুতই। এরপর ২য় উইকেটে সৌম্য ঝড়! প্রথম ১৫ বলেই করেন ৪০ রান আর ২৫ বলে পূর্ণ করেন ফিফটি। ২য় উইকেটে ৪৯ বলে ৮১ রানের ঝড়ো জুটি জয়ের আশা দেখালেও সৌম্য ২৭ বলে ৫১ রান করে ফিরলে সেটি ক্ষীন হয়ে যায়। এক প্রান্তে নাঈমের ধীর গতির ইনিংস আর রান রেটের চাপে একপ্রকার বিপাকে টাইগাররা। ৯৪ রানে ১ উইকেট থেকে ১২৬ রানেই নেই ৬ উইকেট! মাত্র ৩২ রানের ব্যবধানে ৫ উইকেট হারালে জয়ের আশা শেষ হয়ে যায় টাইগারদের।
মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ১২ বলে ২১ রান করলেও বাকিরা কেউও আর দাড়াঁতে পারেনি৷ শেষ দুই ওভারে দরকার ছিলো ৪৪ রান! শেষ পর্যন্ত ২০ ওভার শেষে ৭ উইকেটে ১৪২ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয় সফকারী বাংলাদেশ। মোটে তিন ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কের কোটা পেরোতে সক্ষম হয়!
