নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডেস্ক »
মুশফিক-মাহাদীদের ক্যাচ মিসের মহড়ার দিনে সিরিজের ২য় ওয়ানডেতে ৫ উইকেটে হেরেছে টাইগাররা। ৫৩ রানে ৩ উইকেট হারানোর পরেও টম লাথামের সেঞ্চুরি আর কনওয়ের হাফ সেঞ্চুরিতে ৫ উইকেটের জয় নিয়ে সিরিজ নিজেদের করে নিলো কিউইরা।
২৭২ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ফিজ-মাহাদীর দূর্দান্ত বোলিংয়ে মাত্র ৫৩ রানেই ৩ উইকেট হারায় স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড। ৪র্থ উইকেটে কনওয়ের সাথে জুটি বাধেন টম লাথাম। ১১৩ রানের জুটির পথে দু’জনেই তুলে নেন ফিফটি। দলীয় ১৬৬ রানে তামিমের থ্রো’তে কনওয়েট রান আউটের শিকার হয়ে ফেরত গেলে আবারো আশায় বুক বাধে টাইগাররা। এরপরই ক্রাইস্টচার্চে মুশি-মাহাদীদের পর পর দুই ওভারে নিশাম-লাথামের সহজ ক্যাচ মিসে হাতছাড়া হয়ে যায় ম্যাচ!
সুযোগ পেয়ে কাজেও লাগান টম লাথাম, দূর্দান্ত ব্যাটিংয়ে তুলে নেন সেঞ্চুরি৷ শেষ দিকে নিশামকে ফেরালেও ম্যাচ বাঁচাতে পারেননি ফিজ। প্রথম জয় পাওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও ৫ উইকেটে হারে টাইগাররা।
এর আগে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে এদিনও শূন্য হাতে ফেরত যান লিটন। ২য় উইকেটে তামিম-সৌম্য ধীরে চলতে থাকলেও তামিম তুলে নেন ৫০ তম ফিফটি। সৌম্যও দ্রুত ফিরে গেলে ৩য় উইকেটে মুশফিকের সাথে ৪৩ রানের জুটির পথে ব্যক্তিগত ৭৮ রানে ভুল বুঝাবুঝিতে রান আউট হয়ে ফেরত যান তামিম। ৪র্থ উইকেটে মিথুনের দূর্দান্ত ব্যাটিংয়ে বড় লক্ষ্যের দিকে এগোতে থাকে টাইগাররা। মুশফিকের ধীর গতির ইনিংস শেষ হয় ৫৯ বলে ৩৪ রানে। তবে শেষ দিকে মিথুনের দূর্দান্ত ৫৭ বলে ৭৩ রানের ঝড়ো ইনিংসে ৬ উইকেটে ২৬৯ রান করে টাইগাররা।
এই জয়ে তিন ম্যাচ সিরিজ এক ম্যাচ বাকি থাকতেই ২-০ তে জিতে নিলো কিউইরা। ২০১৬ সালে এই দিনেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে জয়ের কাছে যেয়েও মুশফিক-রিয়াদের ভুল শটে ১ রানে ম্যাচ হারে টাইগাররা।
