সাফায়েত ফুয়াদ »
আসন্ন ইভ্যালি সিলেট টি-টুয়েন্টি ব্লাস্টকে সামনে রেখে প্রথমবারের মতো অনুশীলনে নেমেছে দল গুলো।
প্রথম দিনের অনুশীলনে স্টার প্যাসিফিক স্ট্রাইকার্স, এমকেবি প্লাটুন ও সিলেট সিটি কর্পোরেশন ওয়ারিয়র্স মাঠে ঘাম ঝরিয়েছে।
সিলেটের সূর্য যখন ভোরের আকাশে মেলে পড়েছে তখনই কোচ রাজিন সালেহ আলম এর টিম স্টার প্যাসিফিক স্ট্রাইকার্স সিলেট ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামের আউটডোরে হাজির। তাদের আইকন খেলোয়াড় অলক কাপালি ছাড়া বাকী সবাই টিম প্র্যাক্টিসে এসেছিলেন। কিছু সময় স্ট্রেচিং করে আউটডোরের নেটে ব্যাটিং বোলিং ঝালিয়ে নিয়েছেন তাজিম, সাঈদ, অর্ক,তুষাররা। কোচ রাজিন সালেহ আলমের সাথে কথা বলে জানা যায় তিনি তার এই টিমকে যথেষ্ট আশাবাদী। তিনি বলেছেন তার আইকন অলক কাপালি এবং তুষার সহ অন্যান্য ব্যাটসম্যান এবং বোলার যারা রয়েছেন তারা যদি জ্বলে উঠতে পারেন তাহলে তারা যেকোনো টিমকে হারাতে প্রস্তুত। গত একাডেমি কাপের সেরা খেলোয়াড় তোফায়েল ও রয়েছেন তার টিমে। তার ব্যাপারে জানতে চাইলে বলেন অলকের পাশাপাশি সে ও আমাদের ট্রাম কার্ড। আমরা অর্ক এবং তাকে নিয়ে কাজ করছি আশা করি এই টুর্নামেন্ট ভালো কিছু করবে।
স্টার প্যাসিফিক স্ট্রাইকার্সের যাওয়ার সাথে সাথেই সিলেট সিটি কর্পোরেশন ওয়ারিয়র্স এবং এমকেবি প্লাটুন দুই টিম একসাথে মাঠে প্রবেশ করে। ন্যাশনাল টিমে থাকার কারণে ইবাদত হোসাইন ছাড়া বাকী সবাই টিম প্র্যাক্টিসে উপস্থিত ছিলেন। আইকন খেলোয়াড় এনামুল হক জুনিয়র কে সবার সাথে প্র্যাক্টিসে পেয়ে কোচ রানা মিয়া অনেক উচ্ছ্বসিত। তিনি বলেন এনামুল হক জুনিয়র এবং ইমরান আলী এনাম কে প্র্যাক্টিসে পেয়ে তাদের টিমের তরুণ খেলোয়াড় অনেক কিছু শিখতে পারবে। একাডেমি কাপে যারা ভালো করেছে তাদেরকে আমরা দলে ভিরিয়েছি। আশা রাখি স্পিনার কামিল ও শরিফ অনেক ভালো করবে। উইকেট সম্বন্ধে জানতে চাইলে রানা মিয়া বলেন উইকেট ব্যাটিং হউক বা বোলিং আমরা আমাদের সেরাটা দিব। উইকেট যদি স্পোর্টিং হয় তাহলে ইবাদত তার গতি দিয়ে প্রতিপক্ষের আতঙ্ক কারণ হবে ইনশাআল্লাহ।
আমাদের ছক্কা রুমান কাল থেকে দলের সাথে যোগ দিবে। প্রথমে সেমিফাইনাল এর জন্য খেলব। সিলেটবাসী আশা রাখি আমাদের সার্পোট করবে।
আউটডোরের অন্যদিকে টিম মিটিং এর পর হালকা স্ট্রেচিং করিয়ে ছেলেদের নেটে পাঠিয়ে দিয়েছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশন ওয়ারিয়র্স কোচ নাইম আহমেদ। তার কাছ থেকে আমরা জানতে পাই তার মতে তার টিম একটি ব্যালেন্স টিম।৷ কারণ তার টিমে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়ের পাশাপাশি অনেক তরুণ ক্রিকেটার রয়েছে যারা কিনা প্র্যাক্টিসে অনেক ভালো করছে। কোচ নাইম আহমেদ মনে করেন তার পেস বোলিং ইউনিটটা অনেক শক্তিশালী যেখানে জয়নুল এবং ইরফান এর মতো ক্রিকেটার রয়েছে। তাদের পাশাপাশি রিজভী ও রয়েছে আমাদের দলে। নাইম আর বলেন আমাদের এজাজ এবং আজাদ একাই যেকোনো টিমের জন্য ভয়ঙ্কর হতে পারে। স্পিনার শাহনুর, নাজমুল আশা রাখি ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারবে। তিনি তার টিমের জন্য সিলেবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থী।
জুম্মার আজানের সাথে সাথেই দুই টিম মাঠ ত্যাগ করে বিদায় নেয়।
