ডেস্ক রিপোর্ট »
ওয়েস্ট-ইন্ডিজের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে বাংলাদেশ স্কোয়াডে রয়েছেন ৫ জন পেস বোলার। স্কোয়াডে অধিক পেস বোলার রাখার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে ফিটনেস শঙ্কা নিয়ে।
প্রথমবারের মতো টেস্ট দলে ডাক পেয়েছেন পেসার হাসান মাহমুদ। ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট সিরিজে দেখা গেছে একাধিক পেস বোলারকে চোটে পড়তে। তাই আগে থেকেই সতর্ক হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট। স্পিন নির্ভর একাদশের সম্ভাবনা জোরালো হওয়ার পরেও একাদশে রাখা হয়েছে পাঁচজন বোলারকে। এছাড়া স্কোয়াডটাও হয়েছে বেশ বড় পরিসরে।
এ বিষয়ে নান্নু বলেন,’‘কোভিড-১৯ আর কে কখন অসুস্থ হয় এটা মাথায় রেখেই স্কোয়াডটা বড় করেছি। যাদেরকে নিয়েছি টেস্ট ক্রিকেটের কথা মাথায় রেখেই দল সাজিয়েছি, যারা খেলবে না তারাও যেন একটা সিস্টেমের ভেতরে থাকে। তারা যেন টিম ম্যানেজমেন্টের সাথে কাজ করে উন্নতি করতে পারে এবং পরবর্তীতে খেলার জন্য নিজেদের প্রস্তুত করতে পারে।’’
বাংলাদেশের একাদশ স্পিন নির্ভর নাকি পেস ও স্পিনের ভারসাম্য রেখে করা হবে তা এখনই প্রকাশ করতে রাজি হননি এই নির্বাচক।
তিনি বলেন,’‘২৪ ঘণ্টা আগে টিম ম্যানেজমেন্ট টিম তৈরি করবে তাই এখনই বলা মুশকিল। কয়জন স্পিনার, কয়জন পেসার নিয়ে খেলা হবে সেটা তখনই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। দলের পেসার, স্পিনার সবাইকেই প্রস্তুত থাকতে হবে। স্কোয়াড কেবল একটা ম্যাচের কথা চিন্তা করে করা হয় না, সামনের দিনের কথা ভেবে। বিদেশ সফরে গেলে তো পেসার বেশি নিয়ে খেলতে হবে। ঘরের মাঠে স্পিনারদের একটু বেশি প্রাধান্য দিই আমরা। দলের সবকিছু যেন ঠিক থাকে এইজন্যই ভারসাম্যটা রাখা।’’
প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু একাদশে ৫ জন পেসার রাখার ব্যাপারে স্পষ্ট করে বলেন, পেসারদের তুলনামূলক বেশি চোটের আশঙ্কা ও ফিটনেসে ঘাটতি চলে আসার কথা ভেবেই হাতে বেশি অপশন রাখা হয়েছে।
এই নির্বাচকের ভাষায়,”এখানে ৫ জন পেসার রেখেছি কারণ অনেক দিন পরে আমরা ৫ দিনের ম্যাচ খেলতে যাচ্ছি। যেকোনো সময় যেকোনো বোলারের আহত হওয়ার সম্ভাবনাও আছে। ওদের ফিটনেস ৫ দিন খেলার পরে একই অবস্থানে থাকে না। আর ওরা পুরো একবছর টেস্ট ক্রিকেটের বাইরে। সেই হিসেবে ওদের এই ফিটনেসের কথা চিন্তা করেও বেশি ফাস্ট বোলার নিয়েছি। সবার ফিটনেস এখন ভালো অবস্থানে আছে এবং আশা করছি দুইটা টেস্ট ম্যাচেই ভালো অবস্থানে পাবো।’’
