ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট নয়, আমার কাছে দলই সবার আগে- রাসেল

ডেস্ক রিপোর্ট »

বর্তমানে ওয়েস্ট ইন্ডিজ জাতীয় দল নিউজিল্যান্ড সফরে রয়েছে। চলতি সিরিজে খুব একটা ভালো করতে পারছে না হোল্ডারের নেতৃত্বাধীন এই দলটি। শুরু থেকেই কিউইদের সাথে সংগ্রাম করতে হচ্ছে তাদের। দলের যখন এমন করুণ অবস্থা, আন্দ্রে রাসেল তখন কলম্বো কিংসের হয়ে মাঠ মাতাচ্ছেন লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে (এলপিএল)।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটারদের নিয়ে অভিযোগ রয়েছে, দলটির নামিদামি সব ক্রিকেটাররা দেশের চেয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টগুলোতে খেলতে বেশি আগ্রহী! যদিও রাসেল দাবি করছেন, ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট নয়, জাতীয় দলের হয়ে খেলাই তাঁর কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পায়।

সিপিএল, আইপিএলে লম্বা সময় ধরে জৈব সুরক্ষা বলয়ে থেকে তিনি হাঁপিয়ে উঠেছিলেন। জৈব সুরক্ষা বলয় এড়িয়ে চলতে এবং মানসিক প্রশান্তির জন্য নিউজিল্যান্ড সফরকে না বলেছিলেন তিনি। যদিও পরবর্তিতে জাতীয় দলের সতীর্থদের সঙ্গে কথা বলে নিজের মত পরিবর্তন করেছিলেন। কিন্তু সে কথা নির্বাচকদের জানালে তাঁরা জানান অনেক দেরি হয় গিয়েছে। তাঁরা ইতোমধ্যেই দল চূড়ান্ত করে ফেলেছেন। ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে রাসেল বলেন,”আমি ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে যতটা প্রাণশক্তি দিয়ে ও উদ্যমী হয়ে খেলি,অন্য কোথাও সেভাবে খেলি না। কিছু মানুষ আড়ালে কথা বলবেই। তারা কখনোই বুঝবে না খেলোয়াড় হিসেবে এসব তুচ্ছ ব্যাপার কতটা কষ্ট দেয়। তারা শুধু বিচার করবে। তাদের জন্য অপর একজনকে বিচার করা খুবই সহজ। কোন কিছুই আমার পক্ষে যাচ্ছিলো না। সীমাহীন চাপ ছিলো।”

রাসেল ২০১৮ সাল থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র দুটি সিরিজে দেশের হয়ে খেলেছেন। নিজের শরীর ও ইনজুরি নিয়ে আগের থেকে অনেক বেশি পরিণত বলে ধারণা তাঁর। মারকুটে এ অলরাউন্ডার পাখির চোখ করছেন ২০২১ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে। জাতীয় দলের হয়ে শতভাগ ফিট হয়ে নামাই আপাতত মুল লক্ষ্য তাঁর।

এ প্রসঙ্গে রাসেলের ভাষ্য,”আমার ৩২ বছর হয়ে গিয়েছে এবং আমি ইনজুরিপ্রবণ। বিগত কয়েক বছর ধরেই হাঁটু, হ্যামস্ট্রিং এর মত বিষয়গুলো আমাকে ভোগাচ্ছে। আমি চাই না কেউ আবারও বলুক ওয়েসট ইন্ডিজের জার্সি গায়ে চাপালেই রাসেল ইনজুরিতে পরে। কোন খেলোয়াড়ই মাঠে ইনজুরিতে পরার চিন্তা নিয়ে নামেনা,কেউই না। আমি এখন আমার শরীরকে নিয়ে অনেক সচেতন।’’

তিনি আরও বলেন,’‘অন্য যেকোন কোথাও ইনজুরির মাঠে একটি বাউন্ডারি হতে দিলেও ব্যাট হাতে তা পুষিয়ে দেয়ার ভাবনা থাকে। কিন্তু তুমি যখন নিজের দেশের হয়ে খেলছো তখন নিজের শতভাগ ফিটনেস নিশ্চিত করে শতভাগ উজার করে দিতে হবে।”

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »