নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডেস্ক »
আজ থেকে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ক্রিকেটারদের করোনা পরীক্ষার নমুনা নেয়া শুরু হয়েছে। অনুশীলনের সময় এক ট্রেনারের করোনা পোজিটিভ হওয়াতে জরুরি ভাবে সবার করোনা পরীক্ষা করানো হচ্ছে। এই করোনা টেষ্টের ফলাফলের পর ক্রিকেটাররা দলগত অনুশীলন শুরু করতে পারবেন। এর আগে তারা একক ভাবে শারীরিক দূরত্ব রেখে অনুশীলন চালিয়েছিলো। ক্রিকেটারদের বাড়ী বাড়ী গিয়েই তাদের নমুনা নেয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে আজ ২৪ জন ক্রিকেটারের নমুনা নেয়া হয়েছে। বাকিদের নেয়া হবে আগামীকাল।
আগামী ৯ সেপ্টেম্বর হতে ক্রিকেটাররা অনুশীলন শুরু করবেন। এরই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বিসিবি মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামকে দুই ভাগে ভাগ করেছে। একটি রেড জোন ও আরেকটি গ্রীন জোন।
গ্রীন জোন খেলোয়াড় ও কোচদের জন্য থাকবে। সে জোনে আছে ড্রেসিং রুম, মেডিক্যাল বিভাগ, জিমনেশিয়াম, ইনডোর। খেলোয়াড়দের দেয়া হবে বিশেষ এক প্রবেশপত্র। এই গ্রিন জোন আর রেড জোন থাকবে শ্রীলঙ্কা সফরের আগ পর্যন্ত।
এই ব্যাপারে দেশের এক ক্রিকেট ভিত্তিক অনলাইন পোর্টালকে বিসিবির প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী বলেন, ‘এখানে ম্যানেজমেন্টর জন্য খুব কঠিন হচ্ছে। কে আসছে কে ঢুকছে, তিন চারটি জায়গায় অনুশীলন হচ্ছে। ইনডোরে হচ্ছে, একাডেমীতে হচ্ছে, মূল মাঠে হচ্ছে এগুলো দেখাশোনা করা বুঝতেই পারছেন। এটা অনেকটা শিথিল ভাব চলে এসেছে অনেকদিন হয়েছে তো। আমরা চিন্তা করিছিলাম কিভাবে জিনিসটাকে একটু সুন্দর করা যায়। তাহলে আমরা খেলোয়াড়রা যে জায়গাগুলোতে বিচরণ করবে, সেগুলোকে আমরা গ্রিনজোন হিসেবে বিবেচনা করছি। গ্রিনজোন বলতে সেফ জোন। রেড জোনকে আনসেফ বলবো না। এখানে সমস্যা থাকতেও পারে। এই জায়গাগুলো আমরা চেক করিনি।’
‘যেমন ধরুন আমাদের অফিসটা। আমরা ধরে নিচ্ছি এটা গ্রিন জোন। কিন্তু আসলে এটা গ্রিনজোন না। এখানে বাইরের লোক আসছে যাচ্ছে। সো এটাকে সেফ জোন হিসেবে ভাবছি না। আমরা প্লেয়ারদেরকে সেফ জোনে রাখতে চাই। ওইটাকে আমরা গ্রিনজোন নাম দিয়েছি। এটার মধ্যে মাঠ পড়বে, ড্রেসিংরুম পড়বে, জিম পড়বে। এটা করলে সুবিধা হয় কি আমরা সেই অনুসারে সবাইকে এক্রিডিটেনশন কার্ড দেব। যারা গ্রিন জোনে যেতে পারবে তাদের গ্রিন এক্রিডিটেনশন কার্ড থাকবে। তাহলে যে চেক করবে তার জন্য সুবিধা হবে। সবাইকে প্রবেশ কার্ড ব্যবহার করতে হবে। সবাই প্রবেশ কার্ড পাবে’ – সাথে যোগ করেন তিনি।
উল্লেখ্য, অতি শীগ্রই যানা যাবে খেলোয়াড়দের করোনার ফলাফল। ফলাফল পাওয়ার পর নেগেটিভ আসলে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর হতে ক্রিকেটাররা দল বেধে অনুশীলনে যোগ দিতে পারবে। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর শ্রীলঙ্কা সফরের জন্য দেশ ছাড়ার কথা রয়েছে বাংলাদেশ দলের। আর এই করোনা পরীক্ষার মাধ্যমে শ্রীলঙ্কা সফরের প্রথম ধাপ সম্পন্ন হচ্ছে।
নিউজক্রিকেট/ আরআর
