নিজস্ব প্রতিবেদক »
বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক ওপেনার জাভেদ ওমর বেলিম। জাতীয় দলে খেলেছেন দীর্ঘদিন। ২০০৮ সালে মাঠের ক্রিকেটকে বিদায় জানালেও এখনো জড়িয়ে আছেন ক্রিকেটের সাথেই। গত এক বছর ধরে কাজ করছেন বাংলাদেশ নারী দলের ট্যাকনিকাল এডভাইজার হিসেবে। নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে তিনি নারী দলের উন্নতিতে ভূমিকা রাখতে চান , এমনটাই জানিয়েছেন গতকাল নিউজ ক্রিকেট২৪.কম এর ফেইসবুক লাইভ আড্ডায় ।
করোনা কালীন সময়ে দর্শকদের জন্য নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডট কম ক্রিকেটারদের নিয়ে প্রতিদিন আয়োজন করছে ফেইসবুক লাইভ আড্ডার। গতকালের লাইভ আড্ডায় অতিথি হয়ে এসেছিলেন সাবেক ক্রিকেটার জাভেদ ওমর বেলিম। তিনি কথা বলেছেন তাঁর ক্রিকেট ক্যারিয়ার এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট নিয়ে। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের সাথে কাজ করছেন টেকনিক্যাল এডভাইজার হিসেবে।তবে তার কাজের মেয়াদ শেষ হলেও বিসিবি এখনো করোনার কারণে চুক্তি নবায়ন নিয়ে কথা বলেনি। তবে বেলিম চান এই দলের সাথে আরো কিছুদিন কাজ করে নিজের অভিজ্ঞতা বিলিয়ে দিতে। বাংলাদেশ নারী দলকে নিয়ে নিজের পরিকল্পনার কথা নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডট কমকে জানিয়েছেন এই সাবেক ওপেনার।
নারী দলের সাথে কাজ করার অভিজ্ঞতা নিয়ে জাভেদ ওমর বেলিম বলেন, ‘আমি মাত্র ১ বছর কাজ করেছি, আমার চুক্তি ছিলো বিশ্বকাপ পর্যন্ত, এখন ওয়ার্ল্ড কাপের পরে বোর্ড যদি চায় আমাকে নিতে বা আমার যদি ইচ্ছে হয় কাজ করার আমরা কথা বলবো। আমি আগে এই টেকনিক্যাল পার্ট নিয়ে খুব কাজ করেছি, যেহেতু টিম সিলেকশনের বিষয়ে বোর্ডের নির্দেশনা ছিলো, মনে আমি আমার মতামত ইনপুট দিতে পারবো। আর নারী দলের সাথে আমি একদমই নতুন ছিলাম, তো ঐ জায়গায় প্রথম চার পাঁচ সফর আমি শুধু অবজারভেশন করেছি। এরপরে আমি মাথা ঘামানো শুরু করেছি।’
নারী দলে কাজ করা নিয়ে আশাবাদী এই সাবেক ওপেনার। তিনি আরো কাজ করতে চান এই দলের সাথে। তিনি আরো বলেন, ‘যদি আমাকে আবার বোর্ড নিয়োগ দেয়, আমি এটা নিয়ে অনেক আশাবাদী, কারণ এই জায়গায় আমি সবাইকে কাছে থেকে দেখেছি, ওয়ার্ল্ড কাপ বলেন, ভারত সিরিজ, সাউথ আফ্রিকা সিরিজ করেছি । যেহেতু আমি একজন ভাস্টলি এক্সপেরিয়েন্স , এই জায়গায় মেয়েদের ইমপ্রুভের অনেক জায়গা আছে, এগুলা আমি কোচকে বলে, নিজে মাথা ঘামিয়ে বা বোর্ডকে বলে কাজ করতে পারবো। এই একটা জায়গা যেখানে খুব তাড়াতাড়ি ইমপ্রুভ করা যাবে।’
নারী দল নিয়ে নিজের পরীকল্পনার কথা বলতে গিয়ে বেলিম জানান, ‘আমি মনে করি এই দলের উন্নতির অনেক জায়গা আছে, ক্রিকেটার রা তাদের কমফোর্টেবল জোনে অনেক সময় প্রাকটিস করে, তারা হয়ত বুঝতে পারে না, এটা তার কমফোর্টেবল জোন, আমি ওদের বলে দিতে পারবো । আমি এডভাইজ দিবো, বা মেন্টর হিসেবে কাজ করবো, অফ দ্যা ফিল্ডে আমি মাঠে বসে কাজ করি, সিলেক্টর ও হলো, ম্যানেজারও হলো, সব কিছু হলো। ওদের নিয়ে আমি খুবই আশাবাদী। কিছু মেয়েরা আউটস্ট্যান্ডিং ট্যালেন্ট।আপনি অস্ট্রেলিয়া বা নিউজিল্যান্ড বলেন তারা পাওয়ারের দিক দিয়ে অনেক এগিয়ে আছে, এটা ইমপ্রুভ করতে আমাদের সময় লাগবে। কিন্তু আপনি যদি টেকনিক্যাল কাজ মানে অন কমফোর্টেবল জোনে প্র্যাকটিস করা বা বিগ ম্যাচ সিচুয়েশনে তারা কি চিন্তা করে , এগুলা আমি যখন শেয়ার করবো আমি এটা চাচ্ছি , যেহেতু আমি পুরো বছর ওদের মনিটর করেছি। আমি খুবই আশাবাদী কারণ কিছু টপ প্লেয়ার আছে , কিছু রাইজিং প্লেয়ার আছে। ভবিষ্যতে যদি আপনার সুযোগ হয় কাজ করার, তাহলে অবশ্যই আমি বড় স্বপ্ন দেখি এই দলকে আমি অনেক বড় অবস্থানে নিয়ে যেতে চাই।’
নিউজ ক্রিকেট২৪/ সুফিয়ান
