নিউজ ডেস্ক »
বিশ্বব্যাপী মহামারি আকার ধারণ করেছে মরণঘাতি করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯। করোনার প্রভাবে অচল বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গন। স্থগিত করা হয়েছে পুরো বিশ্বের সকল ক্রিকেটীয় ইভেন্ট। বাংলাদেশেও এর ভিন্নতা নেই। ইতিমধ্যেই বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। স্থগিত করে দেয়া হয়েছে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) এবারের আসরও।
মাঠে খেলা না থাকায় বিপাকে পড়েছেন কেন্দ্রীয় চুক্তির বাইরে থাকা ক্রিকেটাররা। তবে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। মাঠকর্মী বা গ্রাউন্ডসম্যানদেরকেও আর্থিকভাবে সাহায্য করছে বিসিবি।
কিন্তু এখন কেবল অবহেলার স্বীকার টিম বয়, বল বয়, ম্যাসাজ বয়রা। দেশ জুড়ে দিনমজুরেরা যেমন পড়েছেন ঘোর বিপদে। এদের বেলায়ও একই ব্যাপার। মাঠে খেলা না থাকলে আয়েরও কোন উৎস নেই খেটে খাওয়া এই মানুষদের। টিমবয়, বলবয়দের করোনার এই মহামারির চেয়েও বড় আকার ধারণ করেছে দু-মুঠো খেয়ে বেঁচে থাকার চ্যালেঞ্জ। পুরো দেশ এখন অঘোষিত লকডাউনের ফলে অন্য কোন কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করার সুযোগও তাদের সামনে নেই।
এ ব্যাপারে বাংলাদেশ দলের টিমবয় রবি, মাসুম ও সেন্টুর সাথে কথা হলে তারা নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডট কমকে জানায়, , ‘করোনাভাইরাসের কারণে দেশের সকল ক্রিকেটীয় কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রয়েছে। আমরা যারা টিমবয়, বল বয় বা ম্যাসাজম্যান আছি এই অবস্থায় নিজেদের সংসার চালিয়ে নেয়াটা আমাদের জন্য প্রায় অসম্ভব। আমরা ক্রিকেট বোর্ডে, ক্রিকেট সংগঠক, ক্রিকেট ক্লাবের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি এই কঠিন সময়ে আমাদের সাহায্য করুন। আমরা দু-মুঠো খেয়ে বাঁচতে চাই। এই ভয়াবহ সময়ে আপনারা আমাদের পাশে দাঁড়ান।’
মাঠে ক্রিকেট না থাকলে এই মানুষগুলোর জন্য এমনিতেই জীবন ধারণ করাটা বেশ কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। তার উপর নোবেল করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ এর প্রভাবে পুরো দেশের মানুষ যেখানে ঘরে বসে সচেতনামূলক অবস্থানে আছেন সেখানটায় এই মানুষগুলো যুদ্ধ করে যাচ্ছেন জীবিকার।
