কে এম আবু হুরায়রা »
গত বছর ২১’শে অক্টোবর বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা হঠাৎই ১১’দফা দাবিতে ধর্মঘট করেন। বিসিবিকে না জানিয়ে হঠাৎই ধর্মঘটের জন্য বেশ চটেছিলেন বিসিবি বস। ১১’টি দাবি আবার পরবর্তীতে বেড়ে ১৩টি হয়েছিলো। তবে সে দাবির মধ্যে ১টি দাবি ছিলো কোয়াবের বর্তমান কমিটি অর্থাৎ সভাপতি সাংসদ নাইমুর রহমান দুর্জয়, সহ-সভাপতি খালেদ মাহমুদ সুজন এবং সাধারণ সম্পাদক দেবব্রত পালের পদত্যাগ এবং নতুন কমিটি গঠন।
তবে তারাও নাছোড়বান্দা, এতো তোপের মুখেও পদত্যাগ করেননি কেউই। আবার বিসিবিও শর্ত মেনে নিয়ে সকল দাবি পূরন করলেও শুরুতেই বলেছেন কোয়াব কমিটি বিসিবির অধীনে নয়। তাদের ব্যাপারে কোন সিন্ধান্ত জানানোর এখতিয়ার বিসিবির নেই। তবে আশার কথা শুনিয়েছিলেন বিসিবি সভাপতি। কোয়াব সভাপতি নাইমুর রহমান দুর্জয়ের সাথে কথা বলে জানিয়েছেন সামনের ফাঁকা সময় দেখে কমিটি নবায়ন করার কথা জানিয়েছিলেন বিসিবি সভাপতি।
পরবর্তীতে নবায়ন করার কথা থাকলেও করতে পারেননি তারা। ক্রিকেটারদের ডাকা হলেও তেমন সারা পায়নি ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব)।
তবে এখন যে কমিটির পদত্যাগ চেয়েছিলেন সে কমিটির সাথেই কাজ করছেন বর্তমান দলের ক্রিকেটাররা। করোনা মোকাবেলায় ঘোষিত কোয়াবের তহবিলের আহ্বায়ক হিসেবে আছেন বর্তমান টেস্ট দলের অধিনায়ক মুমিনুল হক এবং ওডিআই দলের অধিনায়ক তামিম ইকবাল। গতকাল (১’ই এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয় নিশ্চিত করেন কোয়াবের সাধারণ সম্পাদক দেবব্রত পাল।
তাহলে কি আবারও সেই প্রবাদটিই সত্যি হলো? “আমে-দুধে মিশে যায়, আঁটি গড়াগড়ি খায়!”
