রাকিব হাসান খান »
ডিপিএল সপ্তম আসরে প্রথম ম্যাচে আবাহনীর হয়ে মুশফিকের সেঞ্চুরি, সংবাদপত্রে এমন হেডলাইনের পর করোনা ভাইরাসের থাবায় পুরো বিশ্বে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যখন স্থগিতদেশ আসে। তখন খালেদ মাহমুদ সুজনের মুখে ঘরোয়া ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ চালিয়ে নেওয়ার কথা শুনে অনেকে অবাক হয়েছেন রীতিমতো।
কিন্তু এটি বলার পেছনে যথা উপযোগী তথ্যবহুল ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের নতুন নিয়ম মোতাবেক ম্যাচ পিছু হিসেবে আর্থিকভাবে ব্যাপারটা দেখা হবে। তাই এমন অবস্থায় যদি আর ম্যাচ না হয় তবে বিপাকে পড়বে অনেক ক্রিকেটার।
খালেদ মাসুদ সুজনের ভাষ্যমতে- ‘এ ভাইরাস দিনকে দিন প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে, শঙ্কা ছিল আমার মাথায়ও। তারপরও আমি চেয়েছিলাম, অন্তত ২৭ মার্চ পর্যন্ত খেলাটা যাতে চলে। তাহলে প্রায় প্রথম লিগের অর্ধেক হয়ে যেত। মানে ১২ দলের সবাই গড়ে ৫ টি করে ম্যাচ খেলে ফেলতো। এতে ক্রিকেটাররা অন্তত কিছু অর্থ পাওয়ার সুযোগ ছিলো।’
এখন তার বিপরীতে মুশফিকুর রহীমের ব্যাপারটা লক্ষ্য করি, আবাহনীর নতুন অধিনায়ক এবারের প্রিমিয়ার লিগে সর্বাধিক ৬৫ লাখ টাকায় যোগ দিয়েছেন। লিগ আর মাঠে না গড়ালে মুশফিক যত টাকা অগ্রীমই নিয়ে থাকেন না কেন পাবেন মোটে ৪ লাখ ৬ হাজার ২৫০ টাকা।
অন্যদিকে তামিম, রিয়াদ, মাশরাফি, লিটন, সৌম্যরা মোট পাওনার অন্তত ৫০ ভাগ অগ্রীম নিয়ে তবে দলবদল করলেও অগ্রিম অর্থ ফেরত দিতে হবে নতুন নিয়মে।

কেবল অগ্রিম অর্থ নেওয়া ক্রিকেটাররা নয়, যেসব ক্রিকেটার শুধুই প্রিমিয়ার লিগের ওপর নির্ভর করে চলেন তারাও খুব সমস্যায় পড়বেন এমন নিয়মে। ম্যাচ না হলে কোন অর্থই পাবেন নাহ বরং যারা অগ্রিম অর্থ নিয়ে দলে ভিড়েছেন তারাও ক্লাব গুলোকে বাকী অর্থ ফেরত দিতে হবে।
যেখনে মুশফিক পাবেন ৬৫ লাখ টাকায় মাত্র ৪ লাখ।
