কে এম আবু হুরায়রা »
বর্তমান ক্রিকেটে শতক,অর্ধশতক হাঁকালে যেমন হাত তালি হয়। তেমনই ক্রিকেটে ‘০’ রানে আউট হলেও থাকে অদৃশ্য তিরস্কার। তবে সবটাই খেলারই অংশ। কেউ কেউ এই শূন্য রানের জন্যই হয়ে উঠেছেন বিখ্যাত।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শূন্য রানে আউটের জন্য সবথেকে বিখ্যাত পাকিস্তানের সাবেক মারকুটে ব্যাটসম্যান শহীদ আফ্রিদির নাম। তবে মজার ব্যাপার হলো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বাধিক শূন্য রানে আউটের তালিকা করলে আফ্রিদির অবস্থান দশম!
শহীদ আফ্রিদির চেয়েও বেশী শূন্য রানে আউট হয়েছেন ৯ ব্যাটসম্যান। এদের ভিতরে সবার উপরে আছেন শ্রীলঙ্কান সাবেক কিংবদন্তি বোলার মুত্তিয়া মুরালিধরন। ক্যারিয়ারের ৪৯৫ টি ম্যাচের ৩২৮ টি ম্যাচে ব্যাটিংয়ে নেমে ৫৯টি ম্যাচেই কোন রানের খাতা না খুলেই আউট হয়েছেন এই কিংবদন্তি।
‘ডাক’ মারার তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের তারকা পেসার। বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক পেস বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশ। ক্যারিয়ারের ৩৩৭টি ম্যাচে ২৬৪ ইনিংসে ব্যাটিং করে ৫৪ বারই রানের খাতা খুলতে পারেননি এই পেসার।
শ্রীলঙ্কান অন্য কিংবদন্তি সনাৎ জয়াসুরিয়ার অবস্থান এই তালিকায় ৩য়। ৫৮৬ ম্যাচের ৬৫১ ম্যাচে ব্যাটিং করে ৫৩ টি ম্যাচেই ফিরে গেছেন শূন্য রানে। মুরালিধরন বা কোর্টনি ওয়ালশ বোলার হলেও সনাৎ জয়াসুরিয়া একজন পুরদস্তুর ব্যাটসম্যান।
এর পরের অবস্থান কিংবদন্তি পেসার গ্লেন ম্যাকগ্রার। ৩৭৬ ম্যাচের ২০৭ ইনিংসে ব্যাটিং করে ৪৯ বারই আউট হলে শূন্য রানে৷
ম্যাকগ্রার পরেই আবারও আসে শ্রীলঙ্কার নাম। শ্রীলঙ্কান কিংবদন্তী ব্যাসম্যান মাহেলা জয়াবর্ধনে। ক্যারিয়ারের ৬৫২ ম্যাচে ৭২৫ ইনিংসে রানের খাতা খুলতে পারেননি ৪৭ বারই।
এছাড়া নিউজিল্যান্ডের ড্যানিয়েল ভেট্টরির ডাক’ এর সংখ্যা ৪৬টি। ইংল্যান্ডের স্টুয়ার্ট ব্রড ও পাকিস্তানের ওয়াসিম আকরাম শূন্য রানে আউট হয়েছেন ৪৫ বার। এবং ভারতীয় পেসার জহির খান এবং শহীদ খান আফ্রিদি সহ কিংবদন্তি লেগ স্পিনার শেন ওয়ার্নের ডাক সংখ্যা ৪৪টি।
এ তালিকায় বাংলাদেশীদের মধ্যে সবার উপরে ৩৩টি ডাক নিয়ে অবস্থান করছেন মাশরাফি। দ্বিতীয় অবস্থান মোহাম্মদ আশরাফুলের ৩২টি শূন্য রানের ইনিংস রয়েছে।
