গাজী নাসিফুল হাসান »
যদি করোনার এই মহামারী না ঘটতো তবে তামিম ইকবালের কিছুদিন পর তাকে ওয়ানডে অধিনায়ক হিসেবে অভিষেক হবার কথা ছিলো। পহেলা এপ্রিলে পাকিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র ওয়ানডে দিয়ে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক হিসেবে অভিষেক হবার কথা ছিলো তামিমের। কিন্তু করোনারি এই মহামারীর কারণে আপাতত বাংলাদেশ দলের পাকিস্তান সফর স্থগিত হবার কারণে আপাতত অধিনায়ক তামিমের অভিষেক হচ্ছে না।
যদিও তামিম অধিনায়কত্বে নতুন নয়। তিনি আগেও অধিনায়কত্ব করেছেন। তবে সেটি অফিশিয়াল অধিনায়ক হিসেবে নয় বরং সেগুলো ভারপ্রাপ্ত হিসেবে। তবে এবার মাশরাফি অধিনায়কত্ব ছাড়লে পূর্ণ মেয়াদে এবার অধিনায়কের দায়িত্ব পেয়েছেন তামিম।
অধিনায়কত্ব প্রাপ্তি নিয়ে ক্রিকেটের অন্যতম জনপ্রিয় ক্রিকেট ওয়েবসাইট ইএসপিএন ক্রিকইনফোকে এক লম্বা সাক্ষাৎকার দিয়েছেন তামিম ইকবাল। নতুন অধিনায়ক হিসেবে তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি রয়েছে এবং নিজের ভূমিকা কি থাকবে তার নিয়েই আলাপচারিতা করেছেন তামিম ইকবাল। এছাড়া নবীন ক্রিকেটার লিটন কুমার দাস ও অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিমকে দেখে শেখার আহ্বান জানিয়েছেন দেশসেরা এই ওপেনার।
তামিম ইকবাল বলেন, ” দলের প্রত্যেকটি খেলোয়াড়কে তাদের পারফরম্যান্সে মনোযোগী হতে হবে। আপনি একটি ম্যাচ খেললে আপনার আত্মবিশ্বাস এমনিতেই চলে আসবে। আপনি দেখুন লিটন এখন প্রতিটি ম্যাচেই ৭০-৮০ রান করতে চায়। দিন দিন তার রানের ক্ষুধা বাড়ছেই। আমি চাই প্রতিটি খেলোয়াড়দের মধ্যে এরকম মানসিকতা গড়ে উঠুক।”
তামিম ইকবাল আরো বলেন, ” মুশফিকুর রহিম সকলের জন্য বড় একটি উদাহরণ হতে পারে। সে কিন্তু নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে কখনোই শতভাগ সন্তুষ্ট হয় না, সে আরো ভালো করতে চায় তাই সে কঠোর পরিশ্রম করতে চায়। ভালোই করলে তার আত্মবিশ্বাস আরো বেড়ে যায়। প্রত্যেক খেলোয়াড় যদি লিটন ও মুশফিককে অনুসরণ করে চলে তবে অধিনায়ক, কোচ ও টিম ম্যানেজমেন্ট সকলের কাজ সহজ হয়ে যাবে।”
তামিম ইকবাল কথাগুলো বলেছে ইএসপিএন ক্রিকইনফোকে তার অধিনায়কত্ব প্রাপ্তির বিষয়ে কথা বলার সময়। তিনি সকল খেলোয়াড়কে লিটন ও মুশফিককে অনুসরণ করতে বলেছেন।
