একটা ম্যাচ দেখান, যেই ম্যাচে আমার স্ট্রাইক রেটের কারণে দল হেরেছে

কে এম আবু হুরায়রা »

স্ট্রাইক রেট নিয়ে বরাবরই প্রশ্নবিদ্ধ তামিম ইকবাল। সাম্প্রতি জিম্বাবুয়ে সিরিজ বাদ দিলে এর আগে কম স্ট্রাইক রেটের কারনে সমালোচনাও হয়েছে বেশ। তবে সর্বশেষ জিম্বাবুয়ে সিরিজে জোড়া সেঞ্চুরি যেন সেই আগুনের অগ্নিনির্বাপক। দুটি সেঞ্চুরিতেই স্ট্রাইক রেটও ছিলো শতক পেরোনো। তবে স্ট্রাইক রেট প্রসঙ্গে বরাবরই সাংবাদিকদের এড়িয়ে গিয়েছেন এই ওপেনার।

সাম্প্রতি দেশের এক জনপ্রিয় জাতীয় দৈনিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। জানিয়েছেন দলের জন্য যে কোন ভূমিকায় খেলতে প্রস্তুত এই ড্যাশিং ওপেনার। কম স্ট্রাইক রেটে খেলেও দলের জয়ে ভূমিকা রাখা যায় সেটিই দেখিয়েছেন কেন উইলিয়ামসনের উদাহরণ টেনে। বিশ্বকাপে উইলিয়ামসনের ব্যাটিংয়ের উদাহরণ দিয়ে তামিম ইকবাল বলেন, “বিশ্বকাপে কেন উইলিয়ামসন হয়েছিলো ম্যান অফ দি সিরিজ। তার (উইলিয়ামসন) স্ট্রাইক রেট ছিলে ৮২৷ ৮২ স্ট্রাইক রেটে কিছু অসাধারণ ইনিংস খেলেছেন যার কারনে দল জিতেছে ”

কোন দলের বড় স্কোর করতে হলে প্রথম ৩জন ব্যাটসম্যানের যে কাউকে অন্তত ৪০ ওভার পর্যন্ত খেলতে হয়৷ তামিম ইকবাল সেই চরিত্রটিই ধারন করছেন মাঠে। তামিম বলেন,” টিম মিটিংয়ে বলা হয় উপরের সারির ৩ জনের একজনকে ৪০ ওভার পর্যন্ত খেলতে হবে। সবার যদি ১১০ স্ট্রাইক রেট থাকে তাহলে রান হবে ৫১০। এটাতো হয়না। ”

তবে তামিমের মন্থর ব্যাটিং নিয়ে খুব একটা আফসোস নেই তামিম ইকবালের। এ নিয়ে সমালচকদের কাছে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে তামিম ইকবাল বলেন, ” যদি আপনাকে জিজ্ঞেস করি গত ৫-৬ বছরে আমার ব্যাটিংয়ের কারনে ১ টি ম্যাচ হেরেছে দেখান। আমি ১৫-১৬ টি ম্যাচ দেখাতে পারবো যেখানে আমি যেভাবে ব্যাটিং করেছি দল জিতেছে৷ ”

তবে স্ট্রাইক রেট এভাবে রাখতেও রাজি নন তিনি। চেষ্টা করছেন ভালো স্ট্রাইক রেটেই দলের এ্যাংকর রোল প্লে করার। শেখার কোন বয়স নেই তার কাছে ” আমি সর্বদা উন্নতির পিছনে ছুটি। যেদিন মনে করবো আমি সব শিখে গেছি বা সব কিছু পেয়ে গেছি সেদিন আমি শেষ। এখনও অনেক কিছু শেখার আছে। সব শিখে গেলেতো ভিরাট কোহলির পর্যায়ে পৌঁছে যেতাম। আমি গত ৪-৫ বচর সাফল্যের স্বাদ পেতে শুরু করেছি। তবে যতটা চেয়েছি ততটা পাইনি”

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »