নাফিসুল হক »
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিকেএসপি। এই বিকেএসপি থেকে দেশের সব খেলায় এই পর্যন্ত নামকরা অনেক খেলোয়াড় তৈরী হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠান থেকে জাতীয় ক্রিকেট দলে এখন পর্যন্ত সুযোগ পাওয়া খেলোয়াড়ের সংখ্যা ৩০জন। দেশের কোনো প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সর্বোচ্চ। এই বিকেএসপি থেকেই উঠে এসেছেন মুশফিক সাকিবরা। স্বভাবতই এখানকার কোচ শিক্ষদের গর্বের বিষয় এটি। মুশফিক সাকিবরা দেশের ক্রিকেটকে নিয়ে গেছে অনন্য উচ্চতায়। গতকাল ১৩ই মার্চ ছিল বিকেএসপির ২০তম ব্যাচের ১৩৫ জন ক্যাডেটের পূর্ণমিলনী। এই ব্যাচের তারকা খেলোয়াড় হলেন মুশফিক, চয়ন , বাকি , শারমিন ছাড়াও আরও অনেক আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পূর্ণ খেলোয়াড়। এই ব্যাচের মধ্যে সাফল্যের দিক থেকে সবচেয়ে এগিয়ে মুশফিক। জাতীয় ক্রিকেট দলের ”পোস্টার বয় ” তিনি। দলের ভাল খারাপ সবসময় তার পার্ফরমেন্স ছিল উজ্জ্বল। তাইতো ব্যাচের সেরা তিনি এবং শিক্ষক কোচদের কাছেও অনেক পছন্দের।
এই মুশফিকের মতোই সাকিব আল হাসানও বিকেএসপির তৈরী রত্ন। সাকিব মুশফিক যেমন বিকেএসপির গর্ব তেমনি তারা সারা বাংলাদেশের গর্ব। সাকিব মুশফিকদের নিয়ে তাদের বিকেএসপির কোচ মতির সাথে গতকাল কথা হয়। গল্পের মধ্যে মুশফিকের পাশাপাশি সাকিবের প্রসঙ্গও চলে আসে। তিনি বলেন ‘‘হ্যাঁ সাকিবদেরও গুরু, সাকিবদের মারছি (হাসি)। ও মনে রাখে , স্যাররা মারলেও মনে রাখে আবার যে ধরণের আদর করেছি সেটাও মনে রাখে।সাকিব ছিল একটু অন্য ধরণের, মুশফিকের আরেক ধরণের। সাকিব হল একটু আগ্রাসী মানসিকতার। মুশফিক ছিল নমনীয়, সবার কাছেই তাড়াতাড়ি সহজবোধ্য।সাকিব হল স্পষ্টবাদী কিন্তু তাকে দেখে মনে হবে সে অভদ্র। কিন্তু যারা ওর কাছে থেকেছে তারা কখনোই বলবেনা।”
কোচ মতি মনে করেন এইরকম স্বভাবের জন্যই তার এই ক্ষতিটা হয়ে গেছে। উল্লেখ্য বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার তথ্য গোপনের অভিযোগে ১ বছরে নিষেধাজ্ঞায় আছেন। এটাই তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বাজে সময় এটা সহজেই বলা যায়।
