শোয়েব আক্তার »
নানা আলোচনা,সমালোচনা আর শঙ্কার কালো মেঘ উড়িয়ে অবশেষে মাঠে গড়িয়েছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ বিপিএলের সপ্তম আসর।জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শর্তবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এবারের আসরের নামকরণ করা হয়েছে “বঙ্গবন্ধু বিপিএল”।
টুর্ণামেন্টে কে ঘিরে আয়োজনের কমতি রাখছে দেশের ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বা বিসিবি।গত ৮ ডিসেম্বর বলিউড তারকাদের উপস্থিতি ঝমকালো উদ্ভোধনী অনুষ্ঠান হয়ে গেল হোম অব ক্রিকেটে।স্পাই ক্যামেরা,ড্রোন ক্যামেরা,এলইডি স্ট্যাম্প সবই আছে এবারের বিপিএল এ।
কিন্তু এতো কিছুর পর ও একটি শুণ্যতা বিরাজ করছে সবার মনে।এর পেছনের কারণ মাঠের ক্রিকেটে দেখা যাবে না বিপিএলের সবচেয়ে সেরা তারকা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান কে!
ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব পেয়ে তা প্রত্যাখ্যান করলেও ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি বা আকসুকে না জানানোয় গেল ২৯ অক্টোবর সব ধরনের ক্রিকেট থেকে এক বছরের জন্য সাকিব আল হাসান কে নিষিদ্ধ করে আইসিসি।
বিপিএলে গত ৬ আসরের মধ্যে ২০১২,২০১৩ ও ২০১৮-১৯ এই তিন মৌসুমে টুর্ণামেন্টে সেরা খেলোয়াড় ছিলেন সাকিব।ব্যাটে-বলে পারফম্যান্স দিয়েও বিপিএলে সবার চেয়ে এগিয়ে তিনি।বিপিএলে ব্যাট হাতে ১৪৮৩ রান ও বল হাতে উইকেটের একমাত্র উইকেটের সেঞ্চুরিয়ান ( ৭৬ ম্যাচে ১০৬ উইকেট) তিনি।ছিলেন গেল আসরের রানার্স আপ দলের অধিনায়ক ও।
জুন-জুলাই মাসে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিব্য বিশ্বকাপে নিজের অলরাউন্ডিং পারফম্যান্স দেখিয়ে বিশ্ব ক্রিকেটের অনেক কিংবদন্তিদের ছাড়িয়ে গেছেন দেশের ক্রিকেটের সবচেয়ে সফল এই ক্রিকেটার।
ফর্মে তুঙ্গে থাকা সাকিবের সামনে হঠাৎ করেই নেমে এলো এক বছরের নিষেধাজ্ঞার খড়গ,যা তাঁর ভক্ত সমর্থক ও দেশের ক্রিকেট প্রেমি কোটি মানুষের কাছে ছিলো অপ্রত্যাশিত।
এবারের বিপিএলে সাকিব থাকলে নিসন্দেহে আরও অনেক নতুন কৃর্তি নিজের নামে লিখিয়ে নিতেন তা বলা বাহুল্য।ঘরোয়া ক্রিকেটের সবচেয়ে রঙ্গিন আসর তার সবচেয়ে রঙ্গিন খেলোয়াড় কে ছাড়া কতটুকু জমে উঠে তা ই দেখার বিষয়।
