সানিউজ্জামান সরল »
আগামী রবিবার (৮ ডিসেম্বর) মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম মাতবে বঙ্গবন্ধু বিপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে। চলছে শেষ মূহুর্তের প্রস্তুতিও। বিসিবি বস আগেই জানিয়েছিলেন, এবারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান গত যেকোন আসরের চাইতে বেশি জাঁকজমকপূর্ণ হবে।
জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলেও সাধারণ দর্শকদের কপালের চামড়ায় দেখা দিয়েছিলো আঁধারের ছাপ। কেননা অতি সীমিত সংখ্যক আসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। সাধারণ দর্শকদের জন্য মাত্র ৫ হাজার আসন বরাদ্দ করেছে বিসিবি।
তবে এবার ঢাকার অতি আগ্রহী দর্শকদের কথা মাথায় এনে বিসিবি নিলো অভিনব এক উদ্যোগ। যারা মাঠে বসে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের জমকালো আয়োজন উপভোগ করতে পারবে না, তাদের জন্য কয়েকটি জায়গায় বড় পর্দায় দেখানো হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। যেটা সম্পূর্ণ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) তত্বাবধানেই। আর এতেই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললো ঢাকার দর্শকরা।
গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে আলাপকালে এমনটাই জানিয়েছেন বিসিবি বস নাজমুল হাসান পাপন। তার ভাষ্যমতে, ‘টিকিটের চাহিদা আকাশচুম্বী। যেটার পরিমাণ এক লাখেরও উপরে। এখানে আসন বরাদ্দ করা হয়েছে মাত্র ১০ হাজারের মতো।’
দর্শকদের এমন চাহিদার কথা মাথায় রেখেই গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি জায়াগায় বড় পর্দায় দেখা যাবে এ অনুষ্ঠান। ঢাকার বাইরের দর্শকরাও দেখতে পাবে বড় পর্দায় অনুষ্ঠান।
পাপন জানান, ‘আমাদের নিজেদের তত্ত্বাবধানে ৭ টি বিভাগে বড় পর্দায় দেখানো হবে এ অনুষ্ঠান। তাছাড়া ঢাকায় কয়েকটি জায়গা জুড়ে এটা নির্ধারণ করা হয়েছে। এরমধ্যে গুলশান বা বনানী মাঠে একটা, ধানমন্ডি রবীন্দ্র সরোবরে বসবে একটা এবং টিএসসিতে বসবে একটা। মিরপুরের দর্শক চাহিদা অনেক। তাই সিটি ক্লাব মাঠ অথবা অন্য কোন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় একটা বসবে।’
প্রসঙ্গত, চলতি মাসের ১১ তারিখ থেকে শুরু হতে যাচ্ছে বিপিএলের ৭ম আসর ‘বঙ্গবন্ধু বিপিএল’। এর আগে ৮ ডিসেম্বর হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। আপাতত এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করেই শেষ মূহুর্তের প্রস্তুতি চলছে মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে।
