নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডেস্ক »
ভারতীয় জুয়াড়ি আগারওয়াল সাকিব আল হাসানের সাথে যোগাযোগ করেছিলো এবং ম্যাচ পাতানো মতো জঘন্য প্রস্তাব দেয়। নিয়মানুযায়ী কোন ক্রিকেটারের সাথে কোন জুয়াড়ি যোগাযোগ অথবা ম্যাচ পাতানোর মতো প্রস্তাব দেয় তাহলে অতি শীগ্রই আকসুকে এ বিষয়ে অবগত করতে হবে। আর তা না হলে তথ্য গোপন করার অপরাধে শাস্তি পেতে হবে ক্রিকেটারকে।
আগারওয়াল নামে সেই জুয়াড়ি ৩ বার যোগাযোগ করার পরেও আইসিসির নিয়ম তোয়াক্কা না করে, বিষয়টি গোপন করে রেখেছিলেন সাকিব। আর তথ্য গোপন করার অপরাধে ১ বছরের নিষেধাজ্ঞায় পড়তে হয়েছে বিশ্বসেরা এ অলরাউন্ডারকে। ফলে ২০২০ সালের ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মাঠে নামা হবে না তার।
সাকিবের এই দুঃসময়ে স্তম্ভিত হয়ে পড়েছে পুরো ক্রিকেট পাড়া। সাকিবকে সমর্থন জুগিয়ে সারা দেশে চলছে মানববন্ধন ও আন্দোলন। অনেকে তো আবার সাকিবের এই শাস্তির পেছনে বিসিবির হাত আছে বলে মন্তব্য করছেন। বিশেষ করে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনকে সবাই ভিলেন হিসেবে বিবেচ্য করছে। এমন পরিস্থিতিতে মুখ খুললেন সাকিব। নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজ একটি স্ট্যাটাসের মাধ্যমে ভক্তদের শান্ত থাকার আহ্বান জানান তিনি।
সাকিবের স্ট্যাটাসটি হলো, ‘আমি আমার সকল শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে এই কথাটি দিয়ে শুরু করতে চাই, আমার এবং আমার পরিবারের সবচেয়ে কঠিন সময়ে আপনাদের নিঃশর্ত সমর্থনে আমি নিজেকে খুবই সৌভাগ্যবান মনে করছি। এই কয়েকদিন আমি অনুভব করতে পেরেছি একটি দেশকে প্রতিনিধিত্ব করা কতটা মহান কাজ।
আমি আমার সকল সমর্থকদেরকে শান্ত ও ধৈর্য ধরার জন্য অনুরোধ করছি। যারা আমার উপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার জন্য ব্যথিত হয়েছেন, তাদের সবাইকে।
আমি এটিকে খুব স্পষ্ট করে বলতে চাই যে আইসিসি দুর্নীতি দমন ইউনিটের পুরো তদন্তটি গোপনীয় ছিল এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) অনুমোদনের ঘোষণার কয়েকদিন আগে আমার কাছ থেকে এটি সম্পর্কে জানতে পেরেছিল। সেদিক থেকে বিসিবি আমাকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেছে এবং এজন্য আমি বিসিবির কাছে কৃতজ্ঞ।
আমি বুঝতে পেরেছি অনেকেই সাহায্যের জন্য প্রস্তাব দিচ্ছেন এবং আমি সত্যিই এটির প্রশংসা করি। তবে এটার একটি প্রক্রিয়া আছে এবং আমি আমার শাস্তি মেনে নিয়েছি কেননা আমি মনে করেছি এটাই সঠিক সিদ্ধান্ত।
আমার পুরো দৃষ্টি এখন ক্রিকেট মাঠে ফেরার দিকে এবং ২০২০ সালে বাংলাদেশের হয়ে খেলার জন্য। আমার ফেরা পর্যন্ত আমার জন্য সবাই প্রার্থনা করুন। – ধন্যবাদ।’
