নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডেস্ক »
বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান। মাগুরায় ১৯৮৭ সালের এই দিনে (২৪ মার্চ) জন্ম হওয়া বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার আজ ৩৬তম বছরে পা দিয়েছেন। ৩৬তম জন্মদিনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে প্রিয় তারকাকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন ভক্ত-সমর্থকরা। পিছিয়ে নেই সাকিবের সতীর্থরাও।
সাকিবকে বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন বলা হয়। দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল এই ক্রিকেটারের বিচরণ ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটেই। ২০০৬ সালে ওয়ানডে অভিষেক হওয়ার পর ১৭ বছর ধরে লাল-সবুজ জার্সিতে খেলে আসছেন। বর্তমানেও অধিনায়কত্বের আর্মব্যান্ডের ভার রয়েছে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে। বিভিন্ন সময়ে দলকে এনে দিয়েছেন আনন্দের জোয়ারে ভাসার উপলক্ষ।
২০০৬ সালে হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ওয়ানডে ক্রিকেটে অভিষেক হয়। একই বছর সাকিবের অভিষেক হয় টি-টোয়েন্টিতেও। প্রথম থেকেই নিজেকে পূর্ণ অলরাউন্ডার হিসেবে চেনানো সাকিব ২০০৯ সালে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ওয়ানডে অলরাউন্ডার র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে উঠে আসেন।
ওয়ানডের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে লাল বলের টেস্ট ক্রিকেটেও অলরাউন্ডারের শীর্ষস্থান দখল করেন সাকিব। এরপর টি-টোয়েন্টিতে। ২০১৫ সালে বিশ্বের একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে তিন ফরম্যাটেই শীর্ষ অলরাউন্ডার হওয়ার কীর্তি গড়েন সাকিব।
বর্তমানে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি অলরাউন্ডারের র্যাঙ্কিংয়ে সবার শীর্ষে আছেন সাকিব। টেস্টে আছেন তিন নম্বরে। এই ফরম্যাটে তার আগে আছেন ভারতের দুই অলরাউন্ডার–রবীন্দ্র জাদেজা ও রবীচন্দন অশ্বিন।
১৭ বছরের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ২৩০টি ম্যাচ খেলেছেন সাকিব। তাতে ৩৭ গড়ে তার রান ৭০৮৬ আর বল হাতে উইকেট ৩০১টি। সাকিব টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন ১১২টি। তাতে ২৩ গড়ে সাকিবের রান ২২৮১। আর বল হাতে নিয়েছেন ১৩১ উইকেট।
টেস্টে ৬৫ ম্যাচে সাকিবের রান ৪৩৬৫। এই ফরম্যাটে সাকিবের উইকেট ২৩১টি। ফরম্যাটটিতে এক ম্যাচে পাঁচ উইকেট নিয়েছেন ১৯ বার।
ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটেই বল ও ব্যাট হাতে ধারাবাহিক পারফর্ম করা এমন ক্রিকেটার ক্রিকেটের ইতিহাসে বিরল। এছাড়া সাকিব বিদেশী সব ফ্র্যাঞ্চাইজি আসরেও দারুণ খেলেছেন। যার কল্যাণে স্লোগান উঠেছে ‘বাংলাদেশের জান, বাংলাদেশের প্রাণ, সাকিব আল হাসান।’
এস.আর/নিউজক্রিকেট২৪
