নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডেস্ক »
দক্ষিণ আফ্রিকা সফর সামনে রেখে বগুড়ায় চলছে ‘বাংলাদেশ টাইগার্স’র ক্যাম্পিং। শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামের বাউন্সি উইকেটে বোলিং চর্চা চলছে পেসারদের।
উদীয়মান বাঁহাতি পেসার মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী জানালেন, ভালোভাবেই চলছে তাদের এই ক্যাম্পিং। যথেষ্ট সহায়তা পাওয়ায় সিনিয়রদের প্রশংসায় ভাসিয়েছেন তিনি।
বাংলাদেশের একমাত্র পেস সহায়ক ভেন্যু ভাবা হয় শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামকে।
তবে দীর্ঘদিন ধরে এ ভেন্যুতে কোনো আন্তর্জাতিক ক্রিকেট নেই। বাংলাদেশ টাইগার্সের ক্যাম্পিংয়ের বদৌলতে ফের প্রাণ ফিরেছে শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে। ২৩ ক্রিকেটারকে নিয়ে ৭ই মার্চ পর্যন্ত চলবে ক্যাম্পিং। ২০২২ বিপিএল মাতানো মৃত্যুঞ্জয় গতকাল বলেন, ‘বগুড়ায় যে বাউন্সি উইকেট আছে, এটা আমরা ব্যবহার করছি।
সুইং নিয়ে কাজ করছি। সিনিয়রদের সাথে আছি, তাদের যে অভিজ্ঞতা আছে সেখান থেকে অনেক কিছু শেখার চেষ্টা করছি। তারাও আমাদের অনেক কিছু শেখানোর চেষ্টা করছেন। পুরোপুরিভাবে খুব ভালো একটা ক্যাম্প হচ্ছে। ভবিষ্যতে ভালো করার ক্ষেত্রে এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ হবে।’
এবারের বিপিএলে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে সিলেট সানরাইজার্সের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেন মৃত্যুঞ্জয়। আলিস আহমেদের পর মাত্র দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে এ অর্জনে নাম লেখান তিনি। মৃত্যুঞ্জয় ছাড়াও মেহেদী হাসান রানা, রেজাউর রহমান রাজার মতো উঠতি পেসার রয়েছে বাংলাদেশের। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী শরীফুল ইসলাম ইতিমধ্যেই জাতীয় দলে জায়গা পাকা করে ফেলেছেন। ব্যাট হাতে আফিফ হোসেন ধ্রুব, মুনিম শাহরিয়াররা উঠে আসছেন। ২০ বছর বয়সী মৃত্যুঞ্জয় বলেন, ‘সত্যি কথা বলতে গেলে, বাংলাদেশের ভবিষ্যত কিন্তু তরুণ ক্রিকেটাররাই নেতৃত্ব দিবে। তরুণরা না থাকলে কিন্তু ভবিষ্যতে ক্রিকেটেরও ক্ষতি হবে। বাংলাদেশ ক্রিকেটের উন্নয়নের জন্য তরুণদের ভূমিকা অবশ্যই থাকতে হবে এবং এই ভূমিকাটা আছে। দেখুন, আমাদের অনূর্ধ্ব-১৯ দলটি থেকে শুরু করে সব তরুণ ক্রিকেটাররাই পারফর্ম করছেন এবং সবাইকে সুযোগও দেয়া হচ্ছে। এভাবে চালিয়ে গেলে আমাদের ভবিষ্যৎ খুব ভালোই হবে, ইনশাআল্লাহ।’
বগুড়ার ক্যাম্পিংয়ে মৃত্যুঞ্জয়দের সঙ্গে রয়েছেন মুমিনুল হক, সৌম্য সরকার, ইমরুল কায়েসের মতো সিনিয়র ক্রিকেটাররাও। জাতীয় দলে খেলা আবু হায়দার রনি, কামরুল ইসলাম রাব্বী, খালেদ আহমেদরা বোলিংয়ে তরুণদের সহায়তা করছেন। মৃত্যুঞ্জয় বলেন, ‘সিনিয়র ক্রিকেটাররা তরুণদের অনেক সহায়তা করেন। অনুপ্রেরণা দেয়া কিংবা কোথায় কী ঘাটতি আছে, সবকিছু নিয়েই সিনিয়ররা কথা বলেন। কোনো খেলোয়াড়ের ভুল দেখলেই তারা সেটা সঙ্গে সঙ্গে শুধরানোর চেষ্টা করেন। ভালো জিনিস দেখলে প্রশংসা করেন। কীভাবে খেলতে হবে ও তাদের অভিজ্ঞতা আমাদের সাথে বিনিময় করার মাধ্যমে যেন আমরা আরও পরিপক্ব হতে পারি, এসবের দিকে তারা খুব খেয়াল রাখছেন।’
