নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডেস্ক »
জীবন যুদ্ধে ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই ইনজুরির সাথে লড়াই মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীর। ২০২০ অনুর্ধ ১৯ বিশ্বকাপ খেলতে গিয়েও ইনজুরির কবলে পরে ফিরে আসতে হয়েছিলো এই পেসারকে, এরপর দীর্ঘদিন ভুগতে হয়েছে ইঞ্জুরিতে । ইঞ্জুরি থেকে ফিরে বিপিএলে নিজের অভিষেক ম্যাচেই তুলে নিলেন হ্যাটট্রিক।
বিপিএলে নিজের প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমেই হ্যাটট্রিকের দেখা পেয়েছেন তরুণ পেসার মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী। তার বোলিং নৈপুণ্যে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স পেয়েছে ১৬ রানের জয়। নিজের অভিষেককে এতটা ভালো করবেন এমন প্রত্যাশা ছিল না মৃত্যুঞ্জয়ের।
শুরুর দুই ওভারে নিজের জাত চেনাতে না পারলেও কঠিন মুহূর্তে বল হাতে নিয়ে টানা তিন বলে মৃত্যুঞ্জয় শিকার করেন এনামুল হক বিজয়, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ও রবি বোপারাকে। সেই সাথে লুফে নেন অভিষেক ম্যাচেই হ্যাটট্রিক এর রেকর্ড, এছাড়াও আরো একটি রেকর্ড গড়েছেন মৃত্যুঞ্জয়, সবচেয়ে কম বয়সী ক্রিকেটার হিসেবে বিপিএল হ্যাটট্রিক এর রেকর্ড এখন তার দখলে ।
ম্যাচ শেষে মৃত্যুঞ্জয় বলেন, ‘সত্যি কথা বলতে গেলে প্রথম দিকে নার্ভাস ছিলাম না। প্রথম দিকে আমার পরিকল্পনাই ছিল ইয়র্কার ভালোভাবে করব। প্রথম ওভারে এক্সিকিউশন খুব ভালো হয়েছে, এ কারণে প্রথম দিকে কোনো চাপ ছিল না। প্রথম দিকে যেহেতু দুইটা ওভার ভালো হয়েছে, ইয়র্কারও খুব ভালো পড়ছিল এ কারণে শেষের দিকে খুব ভালো আত্মবিশ্বাস ছিল যে ইয়র্কার খুব ভালো পড়বে। তো সেটাই পড়েছে।’
অধিনায়ক নাঈম ইসলামের সাহায্য নিয়ে তিনি বলেন, ‘অধিনায়ক অসাধারণ একটা পরিকল্পনা দিয়েছিলেন, স্টাম্প টু স্টাম্প বল করার। প্রথম ওভারটা হয়ত ওরকম হয়নি, তবে চেষ্টা করেছি এবং পরবর্তী ওভারগুলোতে ইয়র্কার হয়েছে।’
শনিবারের ম্যাচটি ছিলো বিপিএল মৃত্যুঞ্জয়ের অভিষেক ম্যাচ, অভিষেক ম্যাচেই এমন দুর্দান্ত পারফর্ম করে ম্যাচসেরা হবেন এমনটা প্রত্যাশা ছিল না মৃত্যুঞ্জয়েরও।তিনি বলেন, ‘প্রত্যেক খেলোয়াড়ের স্বপ্ন থাকে পাঁচ উইকেট আর হ্যাটট্রিকের। তবে এরকম পর্যায়ের খেলায় প্রথম ম্যাচে নেমেই হ্যাটট্রিক করে ফেলব ভাবিনি। তবে এক্সিকিউশন যেহেতু ভালো হয়েছে, সে ক্ষেত্রে প্রাপ্তি বলা যায়।’
নিউজ ক্রিকেট/ সুফিয়ান।
