নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডেস্ক »
বিশ্বকাপ ব্যর্থতার ঝড় এলোমেলো করে দিচ্ছে দেশের ক্রিকেটকে। কোচিং স্টাফে সংযোজন করা হচ্ছে দেশি দু’জনকে, টিম ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ সুজন আর সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন। জাতীয় দলের সঙ্গে আগেও কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে তাদের। বিসিবিতে পরিবর্তনের হাওয়ায় এবার ভেসে আসছে প্রধান নির্বাচক হিসেবে ফারুক আহমেদের নাম। বাংলাদেশের সফলতম এই নির্বাচককে নিয়ে নাকি নতুন করে ভাবছে বিসিবি।
এর আগে বাংলাদেশ জাতীয় দলের নির্বাচক হিসেবে দুইবার দায়িত্ব পালন করেছেন ফারুক আহমেদ। ২০০৩ সালে প্রথম দফায় জাতীয় দলের দায়িত্ব পান ফারুক। তখন বিশ্বকাপে কানাডা, কেনিয়ার কাছে হারা বিপর্যস্ত জাতীয় দলকে তিনি নতুন করে গড়ে তোলেন। ২০১৩ সালে দ্বিতীয় দফায় দায়িত্ব পাওয়ার সময়ও বাংলাদেশ দল হারতে হারতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল। তখনও ত্রাতা হিসেবে আবির্ভূত হন ফারুক।
২০১৫ সালের বিশ্বকাপে সেই দলের পারফরম্যান্সে হতবাক সবাই। বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফর্মেন্সের পাশাপাশি ঘরের মাঠে একের পর এক সিরিজ জিতেছিল বাংলাদেশ। পাকিস্তানকে ধোলাই করার পাশাপাশি ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এসেছিল সিরিজ জয়। এরপর দল নির্বাচনে বোর্ডের হস্তক্ষেপ মেনে নেননি ফারুক আহমেদ। তার জের ধরে তখন প্রধান নির্বাচক পদ থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। ফারুকের অভিযোগ ছিল, তিনি তখন আর স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছেন না।
এতদিন পর বাংলাদেশ জাতীয় দলের অবস্থা ফের টালমাটাল অবস্থা। বিশ্বকাপে ভরাডুবির পর নেড়েচেড়ে বসেছে বিসিবি। দল থেকে শুরু করে নির্বাচক-কোচিং প্যানেলও পরিবর্তনের আভাস শোনা যাচ্ছে। যদিও বিসিবি অফিসিয়ালি কিছু জানায়নি। বিসিবি থেকেও ফারুক আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় নি।
গণমাধ্যমে ফারুক আহমেদ জানিয়েছেন, আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পেলে সকল শর্তাবলী যাচাই করে ভেবে দেখবেন। বিসিবির কেউ এ বিষয়ে মন্তব্য করতে চাননি।
