নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডেস্ক »
দেশীয় কন্ডিশনে নিয়মিত স্পিন উইকেটে খেলে অভ্যস্ত বাংলাদেশ। আর এই সুবিধা নিয়েই গেল কয়েকদিন আগে অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের মতো শক্তিশালী দলকে ধরাশায়ী করেছে টাইগাররা। যদিও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর আসন্ন পাকিস্তান সিরিজে স্পোর্টিং উইকেট চান রঙ্গনা হেরাথ।
ঘরের মাটিতে অস্ট্রেলিয়াকে ৪-১ এবং নিউজিল্যান্ডকে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়ে সিরিজ জয় করে বাংলাদেশ। দুটি সিরিজেই স্পিনারদের আদিপত্যে ছিল। ঘরের মাঠে খেলা হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই এগিয়ে ছিলেন সাকিব আল হাসান, নাসুম আহমেদরা।
বল হাতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আট উইকেট পেয়েছিলেন নাসুম। সাকিবের উইকেট সংখ্যা ছিল সাতটি। এই সিরিজে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ হয় মাত্র ১৩১ রান (বাংলাদেশ)। সিরিজটিতে শেষ টি-টোয়েন্টিতে দলীয় সর্বনিম্ন ৬২ রান করে অস্ট্রেলিয়া।
নিউজিল্যান্ড সিরিজেও একই অবস্থা দেখা গিয়েছিল। পাঁচ ম্যাচের সিরিজে দলীয় সর্বোচ্চ ১৬১ রান করে কিউইরা। দলীয় সর্বনিম্ন ৬০ রানও করে তারা। সিরিজে আট উইকেট নিয়ে সিরিজ সেরা হন নাসুম। চার উইকেট নেন সাকিব।
ঘরের মাঠে স্পিন উইকেটে পরপর দুটো সিরিজে অসাধারণ দাপটের পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে যায় বাংলাদেশ। কিন্তু সুপার টুয়েলভে শ্রীলঙ্কা, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আফ্রিকার কাছে বাজেভাবে হারে তারা।
আসন্ন পাকিস্তান সিরিজে উইকেটের পরিবর্তন হবে কিনা সেই ব্যাপারে সবার জানার আগ্রহ রেয়েছে। কারন, স্লো উইকেটে প্রস্তুতি নিয়ে বিশ্ব আসরে একেবারেই ব্যর্থ বাংলাদেশ। এ কারণেই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগের দিন বাংলাদেশের স্পিন কোচ হেরাথের কাছে জানতে চাওয়া হয়, পাকিস্তান সিরিজে তিনি কেমন উইকেটের প্রত্যাশা করেন।
জবাবে রঙ্গনা হেরাথ বলেন, ‘এটা নির্ভর করে আমরা কোথায় খেলি সেটার ওপর। আমরা আশা করি, সেখানে ভালো কোনো উইকেটে খেলব। যাতে দুই দল সমতায় থাকে। সেক্ষেত্রে ব্যাটার এবং বোলারদের সমান সুযোগই যেন থাকে। তাই ঘরের মাটিতে আমরা ভালো উইকেটই প্রত্যাশা করি।’
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর দুটো টেস্ট এবং তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলতে বাংলাদেশে আসবে পাকিস্তান। ১৯,২০ এবং ২২ নভেম্বর মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে দুই দলের তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ।
এরপর ২৬ নভেম্বর এবং ৪ ডিসেম্বর থেকে দুটি টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইতোমধ্যেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে বাবর আজমের পাকিস্তান।
