নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডেস্ক »
একদিনের ক্রিকেটে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক তামিম ইকবাল। তার নেতৃত্বেই আগামী ২০২৩ বিশ্বকাপ খেলতে যাবে বাংলাদেশ। সেই পর্যন্ত অধিনায়ক থাকলে শিরোপা জেতার ঘোষণা দিয়েই বিশ্বকাপে যেতে চান তামিম।
ধারাভাষ্যকার ও সাবেক শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটার রাসেল আর্নল্ডের শো ‘চিলিং উইথ রাসেল’-এ নিজের এমন প্রতিক্রিয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ অধিনায়ক ছাড়াও ছিলেন সাবেক লঙ্কান ক্রিকেটার ফারভিজ মাহরুফ।
বিশ্বকাপের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তামিম ইকবাল বলেছেন, ‘২০২৩ বিশ্বকাপে যদি আমিই দলকে নেতৃত্ব দেই, প্রতিটি বিশ্বকাপেই আমরা যখন গিয়েছি, বিভিন্ন অধিনায়করা বলেছেন যে ‘আমরা ভালো করতে চাই বা সেমি-ফাইনাল খেলতে চাই কিংবা হারাতে চাই’ এসব নানা কথা। কিন্তু আমি ২০২৩ পর্যন্ত নেতৃত্বে থাকলে এই ঘোষণা দিয়ে বিশ্বকাপে যে চাই যে, শিরোপা জিততে এসেছি। স্রেফ খেলতে বা লড়াই করতে নয়। আমি চাইব কাপ জিততে। এটাই আমার ভাবনায় আছে।’
বর্তমান সময়ে ক্যারিয়ারের অফ ফর্মে থাকলেও বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সফল ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল। বাংলাদেশের অনেক স্মরণীয় জয়ে তামিমের একান্ত ভূমিকা রয়েছে। কোনো বৈশ্বিক শিরোপা যেকোনো ক্রিকেটারেরই অরাধ্য স্বপ্ন। ক্যারিয়ার শেষের আগে তাই অধিনায়ক হিসেবে ছুঁয়ে দেখতে চান বিশ্বকাপ। এখনও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার অর্জনের অনেক কিছু বাকি আছে বলে মনে করেন তামিম।
তামিম বলেন, ‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এখনও আমার অনেক অনেক কিছু অর্জনের আছে। এখন আমার বয়স ৩২-৩৩, আরও বছর পাঁচেক বেশ ভালোভাবেই আছে আমার সামনে। ওয়ানডে দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছি আমি। যদি দেখেন, আমি, সাকিব, মুশফিক এবং অবশ্যই মাহমুদউল্লাহ… আমরা অনেক বছর ধরে বাংলাদেশের হয়ে খেলছি। তবে এখনও আমরা বড় কিছু অর্জন করতে পারিনি আমাদের ক্রিকেটে। ম্যাচ জিতেছি, সিরিজ জিতেছি। কিন্তু আইসিসি ইভেন্টে বড় কিছু জিততে পারিনি।’
বাংলাদেশ তিন ফরম্যাটের ক্রিকেটই এখনও অভিজ্ঞদের ওপর নির্ভর করেই এগিয়ে যাচ্ছে। ২০২৩ বিশ্বকাপের আগে দলের তরুণ ক্রিকেটাররাও নিজেদের গুছিয়ে নিতে পারলে বাংলাদেশের দারুণ সুযোগ দেখছেন টাইগারদের ওয়ানডে এই অধিনায়ক। মূলত সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের অভিজ্ঞতা বাড়তি আশা যোগাচ্ছে তামিমকে।
তিনি আরও বলেন, ‘২০২৩ বিশ্বকাপকে আমি মনে করি, আমাদের জন্য দারুণ সুযোগ। আমরা আমাদের ক্যারিয়ারের প্রায় শেষ দিকে। তিন-চার-পাঁচ বছর আছে আমাদের। আমরা এমন কিছু করে ক্যারিয়ার শেষ করতে চাই যা বাংলাদেশ সবসময় মনে রাখবে। আমাদের চারজনের যে অভিজ্ঞতা, পাশাপাশি তরুণ যে ক্রিকেটাররা আছে, আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, আমাদের অবশ্যই সুযোগ আছে (২০২৩ বিশ্বকাপে)।’
