নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডেস্ক »
বাংলাদেশের বিপক্ষে ৫ ম্যাচের টি টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে বাংলাদেশ সফর করেছে নিউজিল্যান্ড। করোনার এই সময়ে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার দাবি কিউইদের। কিছুদিন আগে শেষ হওয়স অস্ট্রেলিয়া সিরিজের মত নিউজিল্যান্ড সিরিজেও গ্যালারিতে আছড়ে পড়া বল ফিরবে না মাঠে। বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ খেলতে আরও একাধিক শর্ত জুড়েছিল অষ্ট্রেলিয়া। নিউজিল্যান্ডের টিম ম্যানেজমেন্ট অজিদের মত এত কড়াকড়ি আরোপ না করলেও সতর্কতার অংশ হিসেবে একই নিয়ম বহাল রাখছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
বাংলাদেশ সফরে এসে অজিরাদের শর্ত ছিল ছক্কা হয়ে বল গ্যালারিতে গেলে সেই বল মাঠে ফেরানো যাবে না। এটা নিয়ে দেশের ক্রিড়াঙ্গনে আলোচনা -সমালোচনার ঝড় বয়ে গেলেও বিসিবি এই শর্ত মেনে নিয়েই সিরিজ আয়োজন করে। নিউজিল্যান্ডের প্রস্তাব ছিল গ্যালারিতে যাওয়া বল স্যানিটাইজ করে ফের ব্যবহারের জন্য। কিন্তু তাতে আলাদা করে বলবয় নিয়োগের ঝামেলা ও বলের বৈশিষ্ট্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা থাকায় বিসিবি অস্ট্রেলিয়া সিরিজের মতই গ্যালারিতে যাওয়া বল একই ম্যাচে পুনঃব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বিসিবির একটি সূত্র জানায়, ‘বোর্ডের সঙ্গে নিউজিল্যান্ডের টিম ম্যানেজমেন্টের আলোচনা হয়েছে। করোনার কথা চিন্তা করেই এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। এবারও বল গ্যালারিতে গেলে তা ফিরিয়ে আনা হবে না।’
যে বল গ্যালারিতে আটকে যাবে, সেই বলের ধরন অনুযায়ী আরেকটি রিজার্ভ বল বেছে নেবেন ম্যাচ অফিসিয়ালরা। এজন্য কয়েক প্রকৃতির ব্যবহৃত বল রাখা হবে রিজার্ভে।
‘যেহেতু ২০ ওভারের ম্যাচ, তাই বলে খুব একটা পরিবর্তন হয় না। সেই বিবেচনায় নিয়মটি বহাল রাখা হচ্ছে। আর স্যানিটাইজ করতে গেলে টেম্পারিংয়ের বিষয়টি সামনে চলে আসে। তাছাড়া সেক্ষেত্রে গ্রাউন্ডসম্যানকে গ্যালারিতে বসিয়ে রাখতে হত। সিরিজ শুরুর প্রাক্বালে এই মুহূর্তে এটি একটি জটিল প্রক্রিয়া, একইসাথে সময়সাপেক্ষ।’
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে লো স্কোরিং ম্যাচগুলোতে বল খুব বেশি সংখ্যকবার গ্যালারিতে যাওয়ার সুযোগ পায়নি। উইকেট ও কন্ডিশন বিবেচনায় নিউজিল্যান্ড সিরিজের ম্যাচগুলোও আছে লো স্কোরিং হওয়ার শঙ্কায়।
