নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডেস্ক »
বাংলাদেশ জাতীয় দলের অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে সেই সাথে ঘরোয়া লিগেও কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করার অভিজ্ঞতা আছে সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজনের। তবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) কখনোই জাতীয় দলের স্থায়ী কোচ নির্বাচনে দেশি কোচদের প্রাধান্য দেননি। এ ব্যাপারে একটা চাপা ক্ষোভের কথা প্রকাশ করেন তিনি।
বর্তমান জাতীয় দলের কোচিং প্যানেলের সবগুলো পদ আঁকড়ে আছেন বিদেশিরা। নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে স্পিন বোলিং কোচ ও ব্যাটিং কোচ- তারাও বিদেশি। একে তো দেশি সাবেক ক্রিকেটারদের মাঠের ক্রিকেটের কোনো কাজে প্রাধান্য দেওয়া হয় না তার উপর কোচিং প্যানেলের সব পদেই আছেন বিদেশিরা। এ ব্যাপারে দ্বিমত রয়েছে খালেদ মাহমুদ সুজনের।
তিনি বলেন, ‘কোচ জিনিসটা কী? এখানে অভিজ্ঞতার একটা ব্যাপার তো আছেই। আমাদের এখনও সেই মানসিকতা হয়নি যে লোকাল কোচদের জাতীয় দলের সাথে কোনো পজিশনে নিতে পারব। মূল কোচ হিসেবে নিতে না পারি, বোলিং কোচের সহকারি তো করতে পারি? অন্যভাবেও তো দায়িত্ব দেওয়া যায়। দিলে তো আমাদের একটা ছেলেই শিখল।’
তিনি আরো বলেন, ‘ওটিস গিবসনের সাথে যদি একজন তরুণ সহকারি কোচ হিসেবে যায়, সে তো তিনটি সিরিজে কাজ করলে অনেক কিছু শিখে যাবে। এরপর সে সেই অভিজ্ঞতা আমাদের লোকাল কোচদের সাথে ভাগাভাগি করতে পারবে। আমরা কেন এভাবে চিন্তা করতে পারি না।’
তবে আরো এক ব্যাপারে বোমা ফাটান সাবেক এই বাংলাদেশি অধিনায়ক। তিনি বলেন কোচদের নিয়োগের ব্যাপারে তাকে কিছুই জানানো হয়নি। এমনকি তাকে কোনো মিটিংয়েও ডাকা হয়না। তিনি অপারেশন্স কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান পদে আছেন কিনা তাও জানেন না।
