নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডেস্ক »
মিরপুরে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ১০ম রাউন্ডের আবাহনী লিমিটেডকে ২৮ রানে শোচনীয়ভাবে হারায় প্রাইম দোলেশ্বর স্পোর্টিং ক্লাব। দোলেশ্বরের হয়ে বল হাতে ৪ উইকেট নিয়েছেন কামরুল রাব্বি।
টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন প্রাইম দোলেশ্বর অধিনায়ক ফরহাদ রেজা। ব্যাট হাতে দুই ওপেনার ইমরান উজ্জামান ও সাইফ হাসান ভালই সম্ভবনার খুজ দিয়েছিলেন। তবে, তাঁদের জুটি বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে পারেনি। থেমে যায় দলীয় ৩০ রানে। আরাফাত সানির বলে এলবিডব্লুর ফাঁদে পড়ে সাজঘরে ফিরেন ১৬ বলে ২৩ রান করা ইমরান। রান পাননি টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান ফজলে রাব্বিও।
মার্শাল আইয়ুব ভালো কিছুর ইঙ্গিত দিলেও থেমে যান ২০ রানেই। তবে, দলের বাকি ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার দিনে উজ্জ্বল ছিলেন সাইফ হাসান। তাঁর করা ৪৯ বলে ৫৮ রানের উপর ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৩২ রান তুলে প্রাইম দোলেশ্বর। আবাহনী লিমিটেডের হয়ে বল হাতে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নিয়েছেন মেহেদী হাসান রানা। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দুটি নিয়েছেন তানজিদ সাকিব।
প্রাইম দোলেশ্বরের দেওয়া লক্ষ্য বেশি বড় না হলেও শুরুতেই চাপে পড়ে আবাহনী। আগের দুই ম্যাচে ব্যাট হাতে ঝলক দেখানো মুনিম শাহরিয়ার বিদায় নেন দলীয় ১৬ রানে। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে শান্ত ও নাঈম শেখ মিলে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলে নাঈমের ধীরগতির ব্যাটিংয়ে চাপে পড়ে উইকেট দিয়ে আসেন নাজমুল শান্ত। দলীয় ৩৬ রানে ব্যক্তিগত ১২ বলে ৮ রান করে আউট হন তিনি।
শান্তর বিদায়ের পর রিভার্স সুইপ করে সাজঘরে ফিরেন মুশফিকও। শামিম হোসেনের বলে পয়েন্টে দারুণ এক ক্যাচ নেন সাইফ। চাপের মুখে ইনিংস বড় করতে পারেননি নাঈম শেখ। দলীয় ৫১ রানে সাইফ হাসানের বলে ৩১ বলে ২২ রান করে আউট হন তিনি। তবে, পরবর্তীতে আফিফ ও মোসাদ্দেক মিলে দলকে চাপমুক্ত করার চেষ্টা করেন। তবে তাঁর ঝড় থামে এনামুল জুনিয়রের বলে। ২৬ রান করে সাজঘরে ফিরেন তিনি।
শেষ ৬ ওভারে ৫২ রান প্রয়োজন হলে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় আবাহনী লিমিটেড। শেষ পর্যন্ত ১০৪ রানেই থামে আবাহনীর ইনিংস। প্রাইম দোলেশ্বরের হয়ে বল হাতে সর্বোচ্চ চারটি উইকেট নেন কামরুল রাব্বি।
সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ
প্রাইম দোলেশ্বর ১৩২/৯ (ওভার ২০)
সাইফ হাসান ৫৮, ইমরান উজ্জামান ২৩
মেহেদী রানা ৩/২৮ (৪), সাকিব ২/২৬ (৪)
আবাহনী লিমিটেড ১০৪ (ওভার ১৯.৫ )
আফিফ হোসেন ২৬, মোহাম্মদ নাঈম ২২
কামরুল ৪/১১, শরিফুল্লাহ ২/১
