টেস্টে ৪০০ উইকেট শিকার করবেন বুমরা-

নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডেস্ক »

 

তিন ফরম্যাটের ক্রিকেটে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফরম্যাট হচ্ছে টেস্ট। অন্য দুই ফরম্যাট থেকে এটি সম্পূর্ণ ব্যাতিক্রম। আলাদা মন মানসিকতা উদ্দ্যেম পরিশ্রম করেই কেবল টেস্টে মাঠে নামতে হয়। ব্যাট হাতে যেমন তিতু হয়ে উইকেটে থাকা লাগে বল হাতেও তেমনি ঘাম জড়িয়ে তিতু হওয়া লাগে।

টেস্ট এমন একটি ফরম্যাট যেখানে ৪০০ উইকেট নেয়া সহজসাদ্য কোন বিষয় নয়। এটি একটি কঠিন পথ, আত্মবিশ্বাস ও ফিটনেস স্কিল নিয়ে পাড়ি দিতে এই পথে। এখন পর্যন্ত ক্রিকেটের সবচেয়ে পুরাতন এই ফরম্যাটে ৪০০ উইকেটের কীর্তি গড়েছেন কেবল ২০ জনই। ৪০০ উইকেট নেয়াদের মধ্যে একজন হলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ সাবেক ক্রিকেটার কার্টলি অ্যামব্রোস।

টেস্টে ৪০৫ উইকেট নেওয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই কিংবদন্তি ফাস্ট বোলার অবশ্য জাস্প্রিত বুমরাহ’র মধ্যে এই ক্লাবে প্রবেশের সকল গুণাবলীই দেখতে পাচ্ছেন। তার দাবি, নিজেকে ধরে রাখতে পারলে ভারতের এই ক্রিকেটার পৌঁছে যাবেন সেই গন্তব্যে।

অ্যামব্রোস তিনি বলেন, “ভারতের এখন দারুণ কিছু ফাস্ট বোলার আছে। আমি জাসপ্রিত বুমরাহর বড় ভক্ত। আমার দেখা অন্য সব বোলারের চেয়ে সে অনেক দিক থেকেই আলাদা। সে দারুণ কার্যকর এবং সামনে তাকে আরও ভালো করতে দেখতে মুখিয়ে আছি আমি”।

টেস্টে ৪০০ উইকেট নেয়া ১০ পেসারদের একজন অ্যামব্রোস। পাশাপাশি ২২৫ ওয়ানডে উইকেটের পাশাপাশি ৯৮টি খেলেছেন ক্যারিবিয় এই তারকা। কথা হচ্ছে, বুমরাহ কি সেই লক্ষ্যে পৌছাতে পারবেন? না পারার কারণও দেখেন না অ্যামব্রোস।

তিনি আরও জানান, ‘যদি সে সুস্থ ও ফিট থাকে, লম্বা সময় খেললে সে অবশ্যই পারে। সে বল সিম করাতে পারে, সুইং করাতে পারে এবং দুর্দান্ত সব ইয়র্কার করতে পারে। লম্বা সময় যদি সে নিজেকে ধরে রাখতে পারে, আমি নিশ্চিত সে পারবে (৪০০ উইকেট নিতে)।’

লম্বা ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রে বড় বাধা হতে পারে বুমরাহর বোলিং অ্যাকশন। ছোট রান আপেই অনেক জোরে বল করেন তিনি, কাঁধ ও পিঠের ওপর ধকল যায় অনেক। এর মধ্যেই বেশ কবার ইনজুরিতেও পড়েছেন ডানহাতি এই পেসার। এছাড়া ভারতের হয়ে তিন ফরম্যাটেই খেলে থাকেন তিনি। যে কারণে টানা খেলে নিজেকে ফিট রাখাও কঠিন। টেস্টের চেয়ে সীমিত ওভার ও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে ঝোঁক বেশি থাকাটা অস্বাভাবিক নয়।

অ্যামব্রোস বলেন, ‘ফাস্ট বোলিংয়ের ক্ষেত্রে, মূল ব্যাপারটি হলো ছন্দ। বল ডেলিভারির আগে ভালো রিদম গড়ে তুলতে হয়। বুমরাহর রান আপ ছোট্ট, প্রায় হেঁটেই যায়, ডেলিভারির আগে কয়েক পদক্ষেপ হালকা দৌড়ায় স্রেফ। তার মানে, শরীরের ওপর অনেকটা ধকল যায় ওর, তবে যদি সে যথেষ্ট শক্ত থাকতে পারে, আমার মনে হয় সে ঠিক থাকতে পারবে। স্রেফ সংক্ষিপ্ত রান আপের জন্য যথেষ্ট শক্ত থাকতে হবে তাকে। যদি তা করতে পারে, সে অনেক দূর যাবে’

নিউজটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »