নিউজ ক্রিকেট ২৪ ডেস্ক »
ক্রিকেট বিশ্বের একমাত্র দল হিসাবে কোভিড পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রিত ছিল নিউজিল্যান্ডে। যার কারনে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট মাঠেও দর্শকের উপস্থিতি ছিল। গত ২২ ফেব্রুয়ারি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচ থেকে গ্যালারিতে দর্শকের উপস্থিতি ছিল।দেশে নতুন করে করোনা শনাক্ত হওয়ায় আগামি ম্যাচ গুলো ক্লোজ ডোরে আয়োজন করবে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড।
গতকাল ২৭ ফেব্রুয়ারি কোভিড টেস্ট করানোর পর ২০ জনের ফলাফল পজেটিভ আসে। এতে করে ক্ষুদ্ধ হয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী। নতুন করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ায় আগামী এক সপ্তাহের জন্য লেভেল-৩ সতর্কতা জারী করা হয়েছে অকল্যান্ডে এবং বাকি জায়গায় লেভেল-২ সতর্কতা জারী করেছে।
করোনা ভাইরাসের কারণে প্রথমে ক্লোজ ডোর অর্থাৎ শুন্য গ্যালারিতে ম্যাচ আয়োজন করে ক্রিকেট বোর্ডগুলো। পরিস্থিতি কিছুটা অনুকুলে আসলে ধীরে ধীরে মাঠে দর্শক ফেরানো শুরু করে। বিশেষ করে প্রথম দেশ হিসেবে করোনামুক্ত হওয়া নিউজিল্যান্ড নিজেদের ঘরের মাঠে আবারো দর্শক ফেরায়।নতুন করে করোনা সনাক্ত হওয়ায় ক্লোজ ডোরে ম্যাচ আয়োজন করবে বোর্ড। পরবর্তী নির্দেশনা পর্যন্ত এভাবেই চলবে।।
অষ্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৫ ম্যাচ টি টোয়েন্টি সিরিজের ৩ ম্যাচ বাকি রয়েছে ব্লাক ক্যাপসদের। অন্যদিকে ইংল্যান্ড নারী দলের সঙ্গে ওয়ানডে সিরিজ খেলছে হোয়াইট ফার্নস অর্থাৎ নিউজিল্যান্ড নারী দল।আগামী ৩ মার্চ অকল্যান্ডে মাঠে নামার কথা অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড এবং ইংল্যান্ড-হোয়াইট ফার্নস।
অকল্যান্ডে এক সপ্তাহের জন্য লকডাউন দেওয়ায় বিপাকে পড়েছে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড। এক সপ্তাহের জন্য লকডাউন দেওয়ায় অকল্যান্ড থেকে সরিয়ে ম্যাচগুলো নেওয়া হয়েছে ওয়েলিংটনে। তবে আগামী ৩ এবং ৫ মার্চের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে ‘ক্লোজ ডোরে’। ৩ তারিখের ম্যাচটির জন্য ইতোমধ্যে টিকেট বিক্রিও শেষ। ম্যাচগুলো ক্লোজ ডোরে আয়োজন করায় যারা টিকেট কিনেছেন তাঁদের রিফান্ড দেওয়ার ব্যবস্থা করছে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড।
তবে ৭ মার্চের ম্যাচটিতে মাঠে দর্শক ফেরানোর জন্য নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডকে অপেক্ষা করতে হবে দেশটির সরকারের নির্দেশনার জন্য।
নিউজক্রিকেট / রাসেল
