নিউজ ডেস্ক »
ফাইনাল ম্যাচে এসে লিটন দাসের ফিফটি বাংলাদেশী ওপেনারদের মান কিছুটা হলেও বাঁচিয়েছে বলতে পারেন। লিটন দাসের দুর্দান্ত ফিফটিতে চ্যাম্পিয়ন হয়ছে মাহমুদুল্লাহ একাদশ। লিটনের এই এক অর্ধশতক ছাড়া পুরো টুর্নামেন্টে বাংলাদেশী ওপেনারদের ব্যাটিং ছিলো নাজেহাল। করো ব্যাটে রান নেই, উইকেটে এসে মুখ থুবড়ে পরছিল যেন সবাই। এই টুর্নামেন্ট থেকে ওপেনারদের প্রাপ্তি বলতে লিটন দাস, আর তামিম ইকবালের একটি করে ফিফটি।
সদ্য শেষ হওয়া প্রেসিডেন্ট কাপ সফল ভাবে শেষ হলেও টিম ম্যানেজমেন্টের কপালে চিন্তার ভাঁজ বাংলার ওপেনারদের নিয়ে। ঘরোয়া ক্রিকেট আর জাতীয় দল দুই স্তরের ওপেনাররাই এখানে ব্যর্থ। তামিম, সৌম্য, লিটন, এনামুল এর মতো অভিজ্ঞ থেকে শুরু করে নাঈম, সাইফ, তামজিদ তামিম সবার ব্যাটেই যেন হাহাকার। বড় স্কোর তো দূরে থাক উইকেটে থিতু হতে ও ব্যর্থ তারা।
প্রেসিডেন্ট কাপে বাংলাদেশের ওপেনারদের ব্যাটিং স্টাট দেখলে অবাক হওয়া ছাড়া উপায় কি? তামিন যদিও একটা ফিফটি পেয়েছেন, ৪ ম্যাচে তামিমের গড় ২৫, রান করেছেন মাত্র ১০১ , যা দেশসেরা ওপেনারের নামের পাশে বেমানান। তামিমের দীর্ঘসময়ের ওপেনিং সঙ্গী সৌম্য সরকার ৫ ম্যাচে ১০ গড়ে করেছেন মাত্র ৫০।
টি২0 তে তামিমের ওপেনিং পার্টনার নাঈম শেখ, ৩ ম্যাচে রান করেছেন ১২, টেস্ট ক্রিকেটে তামিমের নতুন সঙ্গী সাইফ হাসান , তিনিও খেলেছেন ৩ ম্যাচ , তার রান ২৮ । নিশ্চিত ভাবে তাদের পারফরমেন্স বিসিবির কপালে ফেলছে চিন্তার ভাঁজ। জাতীয় দলে ফেরার স্বপ্ন এখনো দেখেন এনামুল বিজয়, তবে তার ব্যটেও নেই কোন ধার। ৪ ম্যাচে ১১ গড়ে বিজয়ের রান মোটে ৪৫।
ফাইনাল ম্যাচের ফিফটি বাদে লিটন দাসও বিবর্ণ, প্রথম চার ম্যাচে লিটনের রান ছিলো ৪৬,তবুও মহাগুরুতবপূর্ণ ম্যাচে একটা ফিফটি করে জিতিয়েছেন দলকে , মান রেখেছেন ওপেনারদের।তবে এই এক ফিফটিতে উপায় নেই সমালোচনার বাইরে যাওয়ার। কিছুটা ব্যতিক্রম ইমরুল কায়েস, প্রতি ম্যাচে তিনি অন্তত ভালো শুরু পেয়েছেন।
