শোয়েব আক্তার »
বিশ্ব ব্যাপী মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ছে করোনা ভাইরাস। বিশ্বের প্রায় একশ এর অধিক দেশে ছড়িয়ে পড়ছে এ ভাইরাস। প্রতিদিন ই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে খবর আসছে এ ভাইরাসের ছোবলে প্রাণ হারানোর। তাই রোগ প্রতিরোধে সচেতনতার উপর গুরুত্বারোপ করছেন চিকিৎসকরা। বিশ্বের সচেতন মানুষজন করোনার আক্রমন থেকে বাঁচতে সব ধরনের সচেতনতা অবলম্বন করছেন।
করোনা ভাইরাসের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ক্রিকেট বিশ্বে ও। কিছু দিন আগে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলায় হাত মেলায় নি ইংল্যান্ডের ক্রিকেটার’রা। ইংলিশ অধিনায়ক জো রুট নিজেই জানিয়েছিলেন, আমরা একে অন্যের সাথে হাত না মিলিয়ে “ফিস্ট বাম্ব” করবো। এতে জীবাণু ছড়াবে না। আমরা প্রাথমিক চিকিৎসার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা সঙ্গে রাখছি।
এবার ইংল্যান্ডের পথ অনুসরণ করবে দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার’রা। ভারতের বিপক্ষে আসন্ন তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে টস, ম্যাচের আগে ও ম্যাচের পরে খেলোয়াড়দের সাথে করমর্দন করবে না বলে জানিয়েছেন প্রোটিয়া কোচ মার্ক বাউচার।
তিনি বলেন, ‘দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে করোনা নিয়ে আতঙ্ক কাজ করছে। তাই, ভারত সফরকালে আমরা হাত মেলাবো না। এ ব্যাপারে খেলোয়াড়দের মতামতকে গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের সঙ্গে আমাদের নিরাপত্তাকর্মীরা ও থাকবে। আশা করি সবাই স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রাখবে। সবাই যদি মনে করে যে, স্বাস্থ্য ঝুঁকি আছে, তাহলে হাত না মেলানো ই ভালো।’
তবে, ইংল্যান্ডের মতো প্রোটিয়ারা “ফিস্ট বাম্ব” করবে কি-না সে ব্যাপারে কিছু বলেন নি মার্ক বাউচার। জানা গেছে মানুষের সংস্পর্শে সবচেয়ে বেশি ছড়ায় করোনা ভাইরাস। ভারতেও ইতোমধ্যে চল্লিশ জনের অধিক করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। এমতাবস্থায় হাত না মেলানোর মতো পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছে ডি ককের দল!
তবে, ভিন্ন পথে হাঁটছে অস্টেলিয়া ক্রিকেট দল। এমন পরিস্তিতেও কোন ভাবেই করমর্দনের ক্রিকেটীয় রীতি থেকে বের হয়ে আসবে না তারা। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আসন্ন সিরিজে যথারীতি হাত মেলাবেন তারা। স্বয়ং অস্ট্রেলিয়া’র কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা অন্যদের মতো বিকল্প কিছু চিন্তা করছি না। আমরা হাত মেলানোর প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখবো। আমাদের কাছে পর্যাপ্ত ” হ্যান্ড স্যানিটাইজার” আছে। হাত মেলানোর ফলে কোন সমস্যা হবে বলে মনে হয় না। এ ব্যাপারে আমরা নিশ্চিত।’
